শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ১৭ ১৪২৯   ০১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
১৬ লাখ পথশিশুকে জন্মনিবন্ধন সনদ দিতে হাইকোর্টের রুল ই-গেটের মাধ্যমে মিনিটেই ইমিগ্রেশন পার জঙ্গিরা কোণঠাসা, ‘বাংলাদেশ’ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ বিসিক যশোরের ৩০জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বাঘারপাড়া পৌরসভায় প্রায় ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
৪০

অধিনায়ক হিসেবে আগের দুই মেয়াদে কেমন করেছিলেন সাকিব?

স্পোর্টস ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৩ জুন ২০২২  

আবারও টেস্ট দলের অধিনায়ক করা হলো সাকিব আল হাসানকে। সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হকের অব্যাহত ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গতকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত দেয়। সাকিবের ডেপুটি হয়েছেন লিটন কুমার দাস। এর আগেও দুইবার জাতীয় দলের নেতৃত্বে ছিলেন সাকিব।

দুইবারই ভিন্ন ভিন্ন কারণে তাকে ক্যাপ্টেন্সি ছাড়তে হয়েছিল। কেমন ছিল তার পরিসংখ্যান?
২০০৯ সালে তখনকার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ইনজুরির কারণে প্রথম দফায় দায়িত্ব পান সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে প্রথম টেস্টে সেই দায়িত্ব অবশ্য অফিসিয়াল ছিল না। তার নেতৃত্বে সেই ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। সেন্ট জর্জেসের দ্বিতীয় ম্যাচেও মাশরাফি খেলতে না পারায় সাকিবকে অফিসিয়ালি অধিনায়ক করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে অধিনায়কত্বের প্রথম টেস্টেই জয় পান সাকিব। ২০১১ সাল পর্যন্ত নেতৃত্বের প্রথম দফায় ৯ ম্যাচে সাকিবের জয় মাত্র ১টি। পরাজয় ৮টি।  জয়ের হার: ১১.১ শতাংশ।

২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এই ব্যর্থতার পর অধিনায়ক সাকিব ও সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবালকে বরখাস্ত করে বিসিবি। সাকিবের জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় মুশফিকুর রহিমকে। ২০১৮ সালে মুশফিক নেতৃত্ব ছাড়ার পর ফের সাকিবকে অধিনায়ক করা হয়। সেই উইন্ডিজ সফর দিয়েই শুরু হয় তার নেতৃত্বের দ্বিতীয় মেয়াদ। সেই সিরিজে হারলেও ঘরের মাঠে ফিরতি সিরিজে জয় পায় সাকিব আল হাসানের দল।

এক বছরের দ্বিতীয় মেয়াদে সাকিব ৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছেন ২টিতে। দুটিই উইন্ডিজের বিপক্ষে।  পরাজয় ৩ ম্যাচে। জয়ের হার: ৪০ শতাংশ। তবে সাকিবের অধিনায়কত্বের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল ২০১৯ সালে সদ্য টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্ত আফগানিস্তানের কাছে চট্টগ্রাম টেস্টে ২২৪ রানের পরাজয়! বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচেও হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপরই জুয়াড়ির প্রস্তাব পেয়ে গোপন করার অপরাধে সাকিবকে এক বছর নিষিদ্ধ করে আইসিসি। প্রায় তিন বছর পর তিনি আবারও ফিরলেন নেতৃত্বে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর