সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৪ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যে কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি যৌক্তিক খুলনা-যশোর অঞ্চলে ১৭১ রেলগেটের ৯৮টি অরক্ষিত যশোরে এক মাসে হারানো ৪৯টি মোবাইল উদ্ধার বেনাপোলে পণ্য আমদানিতে অভাবনীয় গতি বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
৮৯

ইনডেমনিটি; বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করতে মোশতাক-জিয়ার ছক

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২২  

দেশ স্বাধীনের পর যখন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু, তখনই ঘটে নির্মম এক ঘটনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। 

এখানেই শেষ নয়, নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ বন্ধ করতে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর কালো ইতিহাসের জন্ম দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন খন্দকার মোশতাক। ওই অধ্যাদেশে বলা হয় ৭৫’র ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জড়িত কারো বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা করা যাবে না।

মানবতাবিরোধী এই আদেশটাকেই ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাইয়ে আইনে পরিণত করেন ‘ঠান্ডা মাথার খুনি’ জিয়াউর রহমান। দেশে শুরু হয় বিচারহীনতার সংস্কৃতি। শাস্তির বিপরীতে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুরস্কৃত করা হয়।

এখানেই থেমে থাকেনি বর্বরতা। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার তৎপরতায় যখন যুক্তরাজ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্ত কমিশন গঠিত হয়, তখন তাঁদের দু’বোনকে বাংলাদেশের ঢোকার পথ বন্ধ করে দেন জিয়া।

তবে বদলেছে ইতিহাস, কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বাঙালি জাতি। ১৯৯৬ সালের ১২নভেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি আইনটি বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। খুলে যায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ। এরপর ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

বিচারে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। ৫ জনের ফাসি কার্যকর হওয়ার পর একজন পলাতক অবস্থায় মারা যান। বাকি ৪জন এখনও পালিয়ে আছেন।

কয়েকজন খুনীর ফাঁসি হলেও অনেকেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ মাথায় নিয়ে পালিয়ে আছে বিভিন্ন দেশে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর