মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ২০ ১৪২৭   ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

  যশোরের আলো
১৫

ঈদের রাতেই আসছে ‘রোড নং. ২৩’

বিনোদন ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২০  

ঈদের রাতে ঠিক ১২টা ১ মিনিটে স্ট্রিমিং হতে যাচ্ছে ভৌতিক ওয়েব প্রোডাকশন ‘রোড নং. ২৩’। সত্য এক ভৌতিক ঘটনা অবলম্বনে ‘হোয়াট দ্য ফিল্মস’ এর সার্বিক সহযোগিতায় তৈরি ‘রোড নং. ২৩’। প্রযোজনায় সুপার তানাজ ৭৭ ইউটিউব চ্যানেল।

রেডিও আমার ৮৮.৪ এফএম-এর জনপ্রিয় ভৌতিক অনুষ্ঠান ‘ছায়া’র আরজে ফাহাদ (মাজেদীস শাহীদ ফাহাদ) এই শহরের কোনো এক পরিবারের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ করছেন ওয়েব প্রোডাকশনটি। তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে ছায়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

সেই সুবাদে শো’র বিভিন্ন অতিথির মাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তের ভৌতিক ঘটনাগুলো শোনা। পাশাপাশি ছায়া’র আরজে হওয়ায় বন্ধুমহলের আড্ডাতেও জমে ওঠে ভৌতিক ঘটনাগুলো। সেখান থেকেই স্টোরিলাইন পাওয়া। মূল ঘটনাটি অনেক বড় এবং ভয়ানক। আমরা শুরুর একটা অংশ উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।

মূলত এই কোয়ারেন্টাইনে পরিবারের সঙ্গে এক আড্ডায় হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেই ঘটনাটি অবলম্বনে কাজটি এক্সপেরিমেন্ট করব। যেহেতু করোনা পরিস্থিতি বিরাজমান, তাই কাজটি ঘরে বসে বানাব, ন্যাচারাল রুম লাইট দিয়ে। ইচ্ছা আছে, ‘রোড নং. ২৩’-এ পুরো ঘটনা পার্ট বাই পার্ট নির্মাণ করার।

ইতোমধ্যে ‘রোড নং. ২৩’-এর অফিসিয়াল ট্রেইলার রিলিজ হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন তানাজ রিয়া, আরিশা ও সুপারক্যাট ইলি। ভেবেছিলাম, ইলিকে নিয়ে কাজ করতে হয়তো কষ্ট হবে, যেহেতু বিড়াল। কিন্তু ইলি চমৎকার অভিনয় করেছে। কোয়ারেন্টাইনে কাজটির আরেকটি অভিজ্ঞতা হচ্ছে, ওয়ার্ক ফ্রম হোম শেষে আমরা রাত ১০টার পর ‘রোড নং. ২৩’-এর যাবতীয় কাজ নিয়ে বসতাম— বলেন আরজে ফাহাদ।

মোরশেদুল ইসলাম নির্মিত ইমপ্রেস টেলিফিল্মের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘দূরত্ব’ (২০০৪)-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শিশুশিল্পী ফাহাদ। সেই থেকে উঠে আসা। কাজ করেছেন অনেক নাটক ও জনপ্রিয় টিভিসিতে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে বর্তমানে মাস্টহেড পিআর ও রেডিও আমার ৮৮.৪ এফএম-এ কর্মরত।

সম্প্রতি বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ভাইরাল হচ্ছে ‘দূরত্ব’ চলচ্চিত্রের মজার মজার ক্লিপিংস। এ প্রসঙ্গে ফাহাদ বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ‘দূরত্ব’ ক্লিপিংস শেয়ার করা হচ্ছে। মিমসও বানানো হচ্ছে। যা দেখলে আসলেই মজা লাগে। পাশাপাশি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করি, কারণ ‘দূরত্ব’-এর কারণে ১৬ বছর পরও মানুষ আমাকে মনে রেখেছে।

‘দূরত্ব আমার বাল্যকালের চলচ্চিত্র। এটির কারণে এখনও মজার মজার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। একদিন আমার ইউনিভার্সিটিতে একজন এসে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি দূরত্ব-এর ফাহাদ না? বললাম জি। অনেকক্ষণ কথা বলার পর তিনি আমাকে রীতিমতো অনুরোধ করতে লাগলেন যে, আমার মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন। পরে বিষয়টি বুঝতে পারি। দূরত্ব দেখে তিনি ভেবেছিলেন যে, আমি হুমায়ুন ফরীদি আঙ্কেল ও সুবর্ণা মোস্তফা অন্টির ছেলে। দূরত্ব মুক্তির পর অনেকে এমনটি ভাবতেন।’

ফাহাদ আরও বলেন, আমরা সবাই এখন বড় হয়ে গেছি। গত ফেব্রুয়ারিতে ‘দূরত্ব’-এ অভিনীত তিন শিশুশিল্পীর মধ্যে অমলের (অন্তু মিয়া) বিয়ে হয়। বিয়েতে প্রায় ১২ বছর পর আমাদের তিনজনের ফের দেখা। অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। দূরত্ব এখনও মজার মজার অভিজ্ঞতা দেয় আমাদের। ‘দূরত্ব’-এর জন্য মোরশেদুল ইসলাম ও ইমপ্রেস টেলেফিল্মের কাছে চিরকৃতজ্ঞ আমি।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর