রোববার   ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   মাঘ ২২ ১৪২৯   ১৪ রজব ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
ফেব্রুয়ারি ঘিরে গদখালীর ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্য ফুল চাষে রঙিন ঝিকরগাছার সাজেদার জীবন ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের অগ্রগতি ৭০ শতাংশ যশোরে ক্ষমা পেলেন আ’লীগ-যুবলীগের বহিষ্কৃত ৬ নেতা যশোরের ৪০০ টন বাঁধাকপি যাচ্ছে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর-তাইওয়ানে দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম
৫৫

গার্লফ্রেন্ড বানাতে নোরা ফাতেহিকে যে লোভ দেখিয়েছিলেন সুকেশ

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২৩  

২০০ কোটির রুপির আর্থিক তছরুপের মামলায় সম্প্রতি দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার কথায়, সুকেশই তার জীবনকে নরক বানিয়েছেন, ইমোশন নিয়ে খেলেছেন। এবার সুকেশের বিরুদ্ধে সরব হলেন নোরা ফাতেহি। তার অভিযোগ, গার্লফ্রেন্ড হওয়ার শর্ত দিয়ে পরিবর্তে তাকে বিলাসবহুল জীবনযাপন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সুকেশ চন্দ্রশেখর।

আদালতকে ঠিক কী জানিয়েছেন নোরা ফাতেহি?

মঙ্গলবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে নিজের বয়ান রেকর্ড করেন নোরা ফাতেহি। নোরা বলেন, অনেকেই দাবি করছেন, মধ্যস্থতাকারী পিঙ্কি ইরানির সাহায্য নিয়ে তিনি সুকেশের কাছ থেকে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নিতে চেয়েছেন। তবে আসলে সেটা ঘটেনি, সুকেশ চন্দ্রশেখরই তাকে দামি বাড়ি, গাড়ি থেকে শুরু করে সবরকম বিলাসবহুল জীবনযাপন দিতে চেয়েছিলেন, পরিবর্তে গার্লফ্রেন্ড হিসেবে নিজের জীবনে তার সঙ্গ চেয়েছিলেন।

নোরার কথায়, ‘পিঙ্কি ইরানি আমার কাজিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, সুকেশকে পেতে লাইন দিয়েছেন জ্যাকুলিন, তবে সুকেশের পছন্দ নোরাকে। শুধু জ্যাকুলিনই নন, বহু অভিনেত্রীই সুকেশের সংসর্গ পেতে চান। সুকেশের প্রস্তাবে ভয় পেয়ে যান আমার পরিবারের সদস্যরাও।

নোরা আরও জানিয়েছেন, প্রথমদিকে আমি সুকেশকে চিনতাম না, ভেবেছিলাম উনি হয়ত এলএস করপোরেশন নামে ওই কোম্পানিতে চাকরি করেন। সুকেশের সঙ্গে আমার কখনওই ব্যক্তিগত যোগাযোগ ছিল না, ওর কোনও ফোন নম্বরও আমার কাছে ছিল না। আমি কোনওদিন সুকেশের সঙ্গে দেখাও করিনি। যখন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর পক্ষ থেকে সমন পেলাম। প্রথমবার সুকেশকে দেখেছিলাম, যখন ইডি জেরার জন্য সুকেশকে আমার মুখোমুখি বসিয়েছিল।

নোরার দাবি মতো, ২০০ কোটির আর্থিক তছরুপের মামলায় তার কোনও যোগ নেই। সুকেশকেও তিনি চেনেন না। তিনি শুধুমাত্র এই চক্রের শিকার। যদিও জ্যাকুলিনের পাশাপাশি নোরার বিরুদ্ধেও সুকেশের কাছ থেকে দামি গাড়ি, ব্যাগ, হীরার গয়নাসহ বিভিন্ন দামি উপহার নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এই মামলায় নোরা ফাতেহিকে সাক্ষী করেছে ইডি। সাক্ষী হিসেবেই তার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে এই মামলায় বুধবার পাতিয়ালা হাউস কোর্টে নিজের বয়ান রেকর্ড করেছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তার অভিযোগ, সুকেশ তার ইমোশন নিয়ে খেলেছেন। তাকে ভুল পথে চালিত করে তার ক্যারিয়ার, জীবন বিপর্যস্ত করেছেন। 

জ্যাকুলিনের দাবি, সুকেশ নিজেকে সরকারি অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়েছিল সুকেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা। 

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর