বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৯   ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগ কখনো সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেয় না এইডস রোগীদের জন্য যশোরে হচ্ছে এআরটি সেন্টার যশোরে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অক্ষত ছিল যে পতাকা খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন
১০৬

চলাচল নির্বিঘ্ন করতে যশোরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০২২  

যশোরে রাস্তার দুই ধারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে যশোর জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার অভিযানের প্রথম দিন শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও বিমান অফিস মোড় এলাকায় ড্রেন ও পৌর সড়কের দু’পাশে অবৈধভাবে গেড়ে বসা স্থায়ী ও অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। 

কর্তৃপক্ষের দাবি- এদিন ছোট-বড় পঞ্চাশটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। জানা গেছে উচ্ছেদ অভিযানের এ ধারাবাহিকতায় মাঠে থাকবে পৌর কর্তৃপক্ষ। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে শহরে কিছুটা হলেও যানজট কমবে। নির্বিঘ্নে পথচলার সুযোগ সৃষ্টি হবে। 

তবে এই উচ্ছেদ অভিযানে খুশি না অনেকেই। তাদের দাবি ‘আসল’ জায়গায় এখনো হাত পড়েনি। শুধুমাত্র টোঙ দোকানসহ ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। প্রভাবশালীরা থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। যদিও পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি কেউ পার পাবে না।

যশোর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল হোসেন জানান, বুধবার উচ্ছেদ অভিযানে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা, চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড ও বিমান অফিস মোড় এলাকায় রাস্তার দু’পাশের পঞ্চাশটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় বেশকিছু টিনসেডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনের অংশ ভাঙা পড়েছে। তিনি বলেন, এখনো যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়ে গেছে, তাও গুড়িয়ে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদের নেতৃত্ব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ পার পাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। শহরজুড়ে চলবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।

অন্যদিকে অভিযান পরিচালনাকারী যশোর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা) এবং যশোর পৌরসভার সিইও কেএম আবু নওশাদ জানান, পৌরসভা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই পাশে নিরাপদ ফুটপাত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ সময় ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা, ছোট ছোট দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সাথে ফুটপাতের সাথে থাকা ব্যবসায়ী ও দোকানিদের ফুটপাতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেয়া হয়। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরোও বলেন, মাইকিংয়ের মাধ্যমে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীসহ অবৈধ স্থাপনার মালিকদের অবগত করা হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদেরকে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার জন্য আহ্বান করেছি। এরপরও যদি কেউ ফুটপাত দখলে রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর