সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ১০ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পায়রা সেতু কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় হবে বিশেষ সেল অবশেষে দেশে চালু হচ্ছে পেপ্যাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুত নেয়ার পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ
১৭৮

ঝিনাইদহে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জলাশয় পুনঃখনন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২১  

২০২০-২১ অর্থ বছরে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মৎস্য অধিদফতরের অধীনে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। 
উপজেলায় পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়া সোনাতনপুর বাওড়ে ৩১ লাখ, কাপাশহাটিয়া বাওড়ে ৭৫লাখ, নারায়নকান্দি বাওড় ও পুকুরে ৬ লাখ ২০হাজার এবং গাড়াবাড়িয়া সরকারী পুকুর খননে ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকার অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাছ চাষের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে।

এসব জলাশয় গুলি খননের পূর্বে বছরে ৩-৪ মাস পানি ধরে রাখতে পারতো। এখন পুনঃখননের ফলে ১২ মাসই মাছ চাষ করা যাবে। ফলে মাছের উৎপাদন আগের চেয়ে দ্বিগুন বৃদ্ধি পাবে এবং প্রায় ৫ হাজার মৎস্যজীবী ও প্রান্তিক মৎস্য চাষীদের কর্মসংস্থানসহ দারিদ্র বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

সোনাতনপুর বাওড় পুনঃখননের ফলে বাওড়টির দুই পাড় দৃষ্টি নন্দন হয়েছে। বাওড়ের সুফলভোগী মৎস্যজীবীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় বাওড়ের গভীরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মৎস্য উৎপাদন দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। বাঁধের উপর মাটি দেওয়ায় বাঁধটি মজবুত হয়েছে এখন তার উপর দিয়ে দুই পাশের গ্রামের লোকজন চলাচল করে। পাশেই হাই স্কুল অবস্থিত তাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণও এই বাঁধের উপর দিয়ে যাতায়াত করে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মৎস্য বিভাগের প্রকল্প পরিচালক ড. আলীমুজ্জামান হরিণাকুণ্ডু উপজেলার এসব প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং খননকৃত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও ফলজ বৃক্ষরোপণ করেন। এছাড়া উন্নয়নকৃত জলাশয়গুলোর সুফলভোগীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন মৎস্য অধিদফতরের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর পুনঃখননেন ফলে ভরাট হওয়া বাওড় গুলো আবার তার নাব্যতা ফিরে পেলো এত মাছের উৎপাদন যেমন বৃদ্ধিপাবে তেমনি এলাকাবাসীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলফাজ উদ্দীন শেখ, কাপাশহাটীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরাফদৌলা ঝন্টু, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামসহ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

হরিণাকুন্ডু উপজেলায় মাছে চাষের উপযোগী অনেকগুলি বাওড়, খাল, পুকুর রয়েছে। মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে মৎস্য অধিদফতর যদি ভরাট হওয়া এসব জলাশয় গুলি পুনঃখনন এর ব্যবস্থা করে তাহলে অত্র এলাকাসহ দেশের মৎস্য উৎপাদন ও দারিদ্র বিমোচনে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে বলে জানান।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর