সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৪ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যে কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি যৌক্তিক খুলনা-যশোর অঞ্চলে ১৭১ রেলগেটের ৯৮টি অরক্ষিত যশোরে এক মাসে হারানো ৪৯টি মোবাইল উদ্ধার বেনাপোলে পণ্য আমদানিতে অভাবনীয় গতি বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
১৪

টেলিটকের ৪জি শক্তিশালী করার নির্দেশ ৫জি বাতিল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০২২  

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন বাংলাদেশের সব জায়গায় আগে টেলিটকের ৪জি সেবা নিশ্চিত করা দরকার। শুধু টেলিটককে নয়, সব মোবাইল অপারেটরকে বলেছেন ৪জির আওতা বাড়াতে। টেলিটকের ৫জি প্রকল্প এখনই দরকার নেই। আর পরিকল্পনা সচিব মো: মামুন আল রশীদ জানান, এই প্রকল্পের যন্ত্রপাতি আনতে ৮০ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে হবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। তাই প্রকল্পটি এই মুহূর্তে এতটা দরকারি না বলে স্থগিত করা হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় টেলিটকের প্রস্তাবিত ৫জি প্রকল্পটি স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করে এ নির্দেশ দেন। সভা শেষে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মামুন আল রশীদসহ সংশ্লিষ্ট সদস্য (সচিব) উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সভায় দুই হাজার সাত কোটি টাকা ব্যয়ে সাতটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ ১২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, সরকারি অর্থায়ন এক হাজার ৮৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং সংস্থার ৫৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
 
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধানমন্ত্রীর এসব অনুশাসন সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন, আপাতত দেশে ৫জি কাভারেজের চেয়ে ৪জির পরিধি বাড়ানো জরুরি। সেই আঙ্গিকে মোবাইল অপারেটরদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এম এ মান্নান বলেন, যেহেতু সরকার কৃচ্ছ্রতা সাধন করছে এবং টেলিটকের ৫জি প্রকল্পের বড় অংশই আমদানিনির্ভর, তাই ডলার ব্যবহারের ওপর চাপ কমাতেই প্রকল্পটি বাদ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে টেলিটকের ৫জি দরকার নেই। ৪জি গ্রাম ও হাওর এলাকায় সার্ভিস পাচ্ছে না। ৪জি আগে আপডেট করো, তারপর ৫জি। এই মুহূর্তে ব্যয় সঙ্কোচন করছি।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো, বাড়তি খরচসহ মোট ৩৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা উন্নত করতে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারগুলোর (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন (প্রথম সংশোধিত); ১৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ; ১৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্বাচিত পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশনগুলোর জন্য বেলারুশ থেকে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, বাড়তি ব্যয়সহ মোট ৯০ কোটি ৭৪ লাখ টাকায় উত্তরা লেক উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত); এক হাজার ২২৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সদর দফতর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসন; ১৬২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ এবং বাড়তি ব্যয়সহ মোট ৯৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকায় কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহী (প্রথম সংশোধিত)।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর