মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১০ ১৪৩১   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
নতুন প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব র‌্যাংকিং চালু করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রী বাঙালির সব অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব অনুসরণের আহ্বান মাশরাফির শিখা অনির্বাণে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা দেশে তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ২৭ লাখের বেশি ৮ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
২০৪

তওবা করলে যে ৬ উপকার পাবেন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২৩  

নিজের অজান্তে মানুষ কত ধরনের পাপ করে ফেলে। পাপ থেকে পবিত্র হতে আল্লাহর কাছে তওবার বিকল্প নেই। বান্দার তওবা আল্লাহ তায়ালার কাছে অত্যন্ত পছন্দনীয় একটি আমল।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা তার বান্দার তওবায় সেই ব্যক্তির চেয়েও বেশি খুশি হন, যার খাবার পানীয় সামগ্রী নিয়ে সাওয়ারী উটটি হঠাৎ গভীর মরুভূমিতে হারিয়ে গেল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর হতাশ হয়ে লোকটি একটি গাছের ছায়ায় শুয়ে পড়ল। এসময় হঠাৎ সে (ঘুম থেকে চোখ মেলে দেখলো) উটটিকে নিজের কাছে দাঁড়ানো। সে উটের লাগাম ধরে আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বলতে লাগলো-

‘হে আল্লাহ! তুমি আমার বান্দাহ! আর আমি তোমার প্রভু! সে আনন্দে অতিশয্যেই এ ধরনের ভুল করে বসলো। (বুখারি, হাদিস, ৬৩০৯)

তওবার বিশেষ ছয়টি ফায়দা আছে। এখানে তা উল্লেখ করা হলো-

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘এবং তিনিই নিজ বান্দাদের তওবা কবুল করেন ও গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন। আর তোমরা যা-কিছু কর তা তিনি জানেন’।(সূরা শুরা, আয়াত, ২৫)  

তওবা এবং গুনাহ মাফের দৃষ্টান্ত অনেকটা এভাবে দেওয়া যায়- বর্তমান বাজারে লোম নাশক কিছু ক্রিম পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহারের পর মুহূর্তেই শরীরের সব লোম ঝরে যায়। গুনাহ করে ফেলার পর তওবার দৃষ্টান্ত অনেকটা সেই লোম নাশক ক্রিমের মতো। তওবা ঠিক একিভাবে গুনাহ মুক্ত করে মানুষকে।

এক হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘গুনাহ থেকে তাওবাকারী ওই ব্যক্তির মতো যার কোন গুনাহ নেই’।(ইবনে মাজা, হাদিস, ৪৩৯) 

অপর একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘মানুষ মাত্রই গুনাহগার (অপরাধী)। আর গুনাহগারদের মধ্যে তাওবাকারীরাই উত্তম’।(ইবনে মাজা, হাদিস, ৪২৫১) যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহ তায়ালার কাছে তওবা করবে, এর বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তাকে মাফ করে দেবেন। 

পবিত্র কোরআনের ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা কর, যেন তোমরা সফলতা অর্জন কর।’(সূরা নূর, আয়াত, ৩১)
 
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তবে কেউ তওবা করলে, ঈমান আনলে, এবং সৎকর্ম করলে, আল্লাহ এমন ব্যক্তিদের পাপরাশিকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তিত করে দেবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’(সূরা ফুরকান, আয়াত, ৭০)

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর তার কাছে তওবা করো। তিনি তোমাদেরকে এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত উত্তম জীবন উপভোগ করতে দেবেন।’(সূরা হুদ, আয়াত, ৩)

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর তারই কাছে তওবা কর। তিনি তোমাদের প্রতি আকাশ থেকে মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন।’ (সূরা হুদ, আয়াত, ৫২)

পবিত্র কোরআন ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এমন ব্যক্তিদের ভালোবাসেন, যারা তার কাছে বেশি বেশি তাওবা করে।’(সূরা বাকারা, আয়াত ২২২)

কোরআন-হাদিসে বর্ণিত এই ফজিলত লাভে সবার উচিত বেশি বেশি তওবা করা।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো