সোমবার   ০১ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৬ ১৪২৭   ১৭ রজব ১৪৪২

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
মাগুরায় হত্যা মামলার আসামি আটক মাগুরায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ তিন কিশোর হত্যায় যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ১২ জন অভিযুক্ত মাগুরায় মসলা জাতীয় ফসলের প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ে কর্মশালা ঝিনাইদহ পাবলিকিয়ান এসোসিয়েশনের মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঝিনাইদহে স্কুল বিজ্ঞান বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২১ অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় তিন দিনব্যাপী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন কুষ্টিয়ায় দুই কেজি গাঁজাসহ আটক ১
৯৮

তারেকের ক্ষমতা কমিয়ে দিলেন খালেদা জিয়া

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া দণ্ডিত হন। আদালতের রায়ের পরপরই তাকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ২৫ মাস তিনি কারান্তরীণ ছিলেন খালেদা জিয়া। কারাগারে যাওয়ার আগেই তিনি গুলশানে তার বাসভবনে তার পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। আবেগঘন ওই আলাপচারিতায় তিনি বিএনপির দায়িত্বভার বড় পুত্র তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছিলেন। অতঃপর তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়ে যান।

উল্লেখ্য, বেগম জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল যে তারেক রহমানই বিএনপির মূল নেতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তার নির্দেশনা অনুযায়ীই দল চলবে। এমনকি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন। তবে যেহেতু বিগত এক বছর ধরে বেগম জিয়া তার ফিরোজার বাসায় আছেন, সেহেতু তারেক রহমান এখন আর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকছেন না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন বেগম জিয়া।

মূলত পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা পেয়েও বিএনপির জন্য কোনো কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করতে না পারায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। বিএনপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য রাখা হয়নি। বিএনপির একজন নেতা বলেছেন যে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমান স্বাভাবিকভাবে থাকতে পারেন না। কারণ ‘ম্যাডাম’ মুক্ত হয়েছে এক বছর হয়েছে। এই এক বছর তিনি প্রায় অবৈধভাবে চেয়ারম্যানের পদে আছেন।

তবে এ বিষয়ে বিএনপির অপর একটি পক্ষ বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও তিনি সেটা পেয়েছেন শর্তসাপেক্ষে। এখন পর্যন্ত তিনি স্বাভাবিক নাগরিক নন। তাছাড়া তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। কাজেই তিনি দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কিনা বা এ ব্যাপারে তার কোনো আগ্রহ আছে কিনা, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। ফলে এখন বিএনপির নেতৃত্বের চাবি কার হাতে তা নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও বিএনপির একাধিক নেতাই মনে করেন যে, তারেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বানানো ছিল একটি অপরিনামদর্শী সিদ্ধান্ত। কারণ দলের চেয়ারপারসন যদি গ্রেপ্তারও হন, তবেও তিনি চেয়ারপারসনের পদ থেকে সরে যান না। কারণ বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দন্ডিত হলেও চেয়ারপারসন দলের পদে বহাল থাকতে পারেন। সেই বিবেচনা থেকেই বেগম জিয়া দলের চেয়ারপারসন ছিলেন এবং তারই চেয়ারপারসন থাকা উচিৎ। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলে কোনো পদ বিএনপির গঠনতন্ত্রে নেই। কিন্তু বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানায়নি। কিন্তু বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, বেগম জিয়া চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কি করবেন না নাকি তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিয়ে দল চালাবেন সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে একমাত্র চেয়ারম্যানকেই। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত ক্ষমতা চেয়ারম্যানের।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর