মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১৩ ১৪২৭   ১১ সফর ১৪৪২

  যশোরের আলো
৩২

দাউদকে নিয়ে পাকিস্তানের ‘মিথ্যাচারের’ প্রমাণ দিতে চায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২০  

মোস্ট ওয়ান্টেড আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমকে আশ্রয় দিলেও তা অস্বীকার করে পাকিস্তান এতোদিন ‘মিথ্যাচার’ করে আসছিল বলে দাবি করেছে ভারত। দেশটির সেই মিথ্যাচারের প্রমাণ এখন হাতে রয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দাদের।

পাকিস্তানের এই ‘মিথ্যাচার’ জঙ্গি-সন্ত্রাস অর্থায়নে নজরদারি চালানো আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) বৈঠকে তুলে ধরবে ভারত। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

ভারত বরাবরই দাবি করে আসছিল, মুম্বাইয়ে ১৯৯৩ বিস্ফোরণের মূল হোতা দাউদ আছে পাকিস্তানেই। কিন্তু পাকিস্তান কোনোদিনই সে কথা স্বীকার করেনি। তবে ইসলামাবাদ সরকার গত ১৮ আগস্ট দু'টি নোটিশের মাধ্যমে মুম্বাই হামলার মাস্টারমাইন্ড ও জামাত-উদ-দাওয়ার প্রধান হাফিজ সাঈদ, জঈশ-ই-মোহাম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার, আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিম ও জাকিউর-রহমান নকভির ওপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ওই বিজ্ঞপ্তিতে দাউদ ইব্রাহিমের বাসার ঠিকানা করাচিতে উল্লেখ করা হয়।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের দাবি, ভারতের হাতে এখন শক্ত প্রমাণ এলো যে, পাকিস্তান দাউদকে নিয়ে মিথ্যাচার করে আসছে। ২০২০ সালের ১৮ আগস্টের আগে দাউদের বিষয় স্বীকার করেনি তারা। এবার তারা এসআরও রিপোর্টে প্রকাশ করেছে দাউদ পাকিস্তানেই রয়েছে, যা সরকারি নথি।

ভারতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাকিস্তানের ওই তালিকা দেশটিতে একটি প্রমাণের মধ্যে ফেলে দিলো যে একটি সার্বভৌম দেশ হয়ে তারা মিথ্যাচার করছে। এই প্রমাণ ভারত আগামী সেপ্টেম্বরে এফএটিএফ বৈঠকে তুলে ধরেবে।

এফএটিএফ ২০১৮ সালের জুনে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকায় রেখে সন্ত্রাসবাদে সহায়তাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল। সন্ত্রাসবাদে যদি পাকিস্তান আর্থিক মদদ দেওয়া না ছাড়ে তাহলে ওই ধূসর তালিকাতেই থাকতে হবে। এতে অর্থনৈতিকভাবে তলানিতে থাকা পাকিস্তান আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ দাতাসংস্থার সহায়তা বা বিদেশি কোনও বিনিয়োগ পাবে না। ভারতের দাবি, এমন পরিস্থিতিতে দাউদকে বিশ্বের সামনে তুলে আনতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান।

তবে রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও দাবি করেছে, ওই তালিকা একটি রুটিন কাজ। তালিকায় নাম থাকার মানে এই নয় যে দাউদ পাকিস্তানের রয়েছে, কিংবা তা স্বীকার করে নেওয়া। এমনটি ভাবা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর