রোববার   ০৯ মে ২০২১   বৈশাখ ২৫ ১৪২৮   ২৭ রমজান ১৪৪২

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
যশোরে দুইজনের দেহে মিলেছে করোনার ভারতীয় ধরন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেয়ার প্রয়োজন নেই : হানিফ ফরিদপুরে ভাইয়ের গুলিতে ভাই আহত চুয়াডাঙ্গার আরও ৩৮৪ কর্মহীন-অসহায়দের মধ্যে খাদ্য বিতরণ দামুড়হুদা সীমান্ত এলাকা থেকে কোটি টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ ভারতীয় ড্রাইভারদের অবাধ বিচরণ, ঝুঁকিতে বেনাপোলবাসী মেহেরপুরে দুই হাজার হেক্টর জমিতে কচু চাষ ফরিদপুরে দুঃস্থদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ ফেরি বন্ধ, দৌলতদিয়ায় পারের অপেক্ষায় শত শত যাত্রী কুমারখালীতে দুস্থদের জন্য বিনামূল্যে পোশাকের দোকান বোয়ালমারীতে ইফতার সামগ্রী বিতরণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের মেহেরপুরে অসহায় মানুষের মাঝে যুবলীগের সবজি বিতরণ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার গায়েব!
৪১

দেশের সর্বপ্রথম `ডিজিটাল` কাস্টমস বেনাপোল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪ মে ২০২১  

দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যকে গতিশীল, রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও শুল্কায়নে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে 'বিকম' নামে একটি নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করেছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এ প্রথম বেনাপোল কাস্টমস হাউসই একমাত্র ডিজিটাল কাস্টম হাউসে উন্নীত হলো।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানি-রফতানি পণ্যবাহী ট্রাক ও পণ্যের তথ্য সংগ্রহ করতে জিরোপয়েন্টে ইতিপূর্বে কার্গো শাখায় কাস্টমস, বন্দর ও বিজিবি যৌথভাবে এনট্রি করত। ফলে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে সময় লাগতো ৩০ মিনিট। বর্তমানে 'বিকম' সফটওয়্যারের মাধ্যমে বারকোড ব্যবহার করায় সময় লাগছে মাত্র ৫ মিনিট।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। ভারতীয় এসব ট্রাকের অবস্থান ও কোন শেডে পন্য আনলোড হচেছ তা মুহুর্তেই জানা যাচ্ছে বিকমের মাধ্যমে।  আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট’র ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের বিশ্লেষণও দ্রত সম্ভব হয়। 
দেশের যেকোন স্থানে অবস্থান করেও আমাদনি-রফতানি পণ্যবাহি ট্রাকের সুনির্দিস্ট স্থান নির্ণয় করা যাচ্ছে। এছাড়াও মুহুর্তেই জানা যাচ্ছে, বকেয়া রাজস্ব, ব্যাংক গ্যারান্টি, আন্ডারটেকিং ও সিএন্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সের সকল তথ্য।

বেনাপোল কমিশনার আজিজুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত কশিনার ড. নেয়ামুল ইসলামের একক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে এই প্রথম কাস্টমস হাউসে বিকম সফটওয়্যার তৈরী করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ১৫টি মডিউলের মাধ্যমে আমাদনি-রফতানি বাণিজ্য গতিশীল, শুল্কায়ন স্বচ্ছতা ও প্রতিদিন পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত মনিটরিং, চোরাচালানী পণ্য আটকসহ কাস্টমস ও বন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষন করছেন কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনারসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। 

এর মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পণ্য ডিটেক্ট করা দ্রত সম্ভব হয় এবং বন্দরের গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত মালামাল সমূহের অবস্থান নিশ্চিত করা যায়। পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফল জালিয়াতি করা সম্ভব নয় বলে এটি অত্যন্ত নিরাপদ একটি সফটওয়্যার।  

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর