বুধবার   ১৯ জুন ২০২৪   আষাঢ় ৪ ১৪৩১   ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
সেন্টমার্টিনে বিজিবি ও পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ বাংলাদেশকে সুপার এইটে তুললো বোলাররা দলীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী চামড়া কেনায় ট্যানারি মালিকরা ২৭০ কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে
২১২

নিয়মিত আমলের প্রতি আগ্রহী করবে যেসব কাজ

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

পরকালের মানুষকে মুক্তি দেবে  নেক আমল। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যে নারী বা পুরুষ ঈমানদার অবস্থায় নেক আমল করবে অবশ্যই আমি তাদেরকে উত্তম জীবন দান করব এবং অবশ্যই তাদেরকে তাদের সর্বোত্তম আমলের প্রতিদান দেব’ (সুরা নাহল, আয়াত, ৯৭)। এ জন্য সবার উচিত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নেক আমল করা।

বর্তমানে আমলের প্রতি মানুষের অবহেলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। অবহেলা কাটিয়ে নিয়মিত আমল করতে এমন কিছু আমল করা উচিত যা অন্যান্য আমল এবং ইসলামী বিধান মেনে চলতে সহায়তা করে। তাই এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত সবার। এমন আমলগুলো হলো-  প্রয়োজনীয় পরিমাণ ধর্মী জ্ঞান(ইলম) অর্জন করা, নামাজ আদায় করা, মুহাসাবা, মুরাকাবা করা এবং তওবা করা।

>> প্রয়োজনীয় পরিমাণ ধর্মী জ্ঞান (ইলম) অর্জন করা উচিত। চাই তা বিভিন্ন বই পড়ে অর্জন করা হোক বা কোনো আলেমের সংস্পর্শে থেকে। তবে বইপত্র পড়ে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের পরও আলেমের সংস্পর্শে থাকা জরুরি। আলেম বলতে এমন আলেম-যারা নিজের শেখা ইলম অনুযায়ী আমল করে থাকেন।

>> নামাজ আদায় করা। যেভাবেই হোক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া উচিত। যথাসম্ভব জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। কোনো কারণে জামাতে নামাজ আদায় করা সম্ভব না হলে পরবর্তীতে যখনই সময় হবে পড়ে নিতে হবে। এতে করে আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হবে এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা যাবে। কারণ, আল্লাহ তায়াল বলেছেন, ‘নিশ্চয় নামাজ সবধরনের অশ্লীল ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখে। (সূরা আনকাবুত, আয়াত, ৪৫)

>> মুহাসাবা, মুরাকাবা করা। অর্থাৎ অধিকাংশ সময় একথা খেয়াল রাখা যে, আমি আল্লাহ তায়ালার সামনে অবস্থান করছি। আমার সব কথা, কাজ ও অবস্থা তিনি দেখছেন।- এটাকে বলা হয় মুরাকাবা। 

আর মুহাসাব বলা হয়- দিনের কোনো একটি সময়- যেমন ঘুমানোর আগে একাকি বসে সারাদিনের কাজের কথা স্মরণ করে এমন ধারণা করা যে, আমার হিসাব নেওয়া হচ্ছে কিন্তু আমি উত্তর দিতে পারছি না।

>> আরেকটি আমল হলো - তওবা ইস্তেগফার করা। যখনই কোনো পাপ হযে যাবে, দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে তওবা করে নেওয়া উচিত। (ইসলাহী-নেসাব, ৩৭০)

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেউ নিয়মিত ইস্তেগফার করলে আল্লাহ তাআলা তাকে সব বিপদ থেকে মুক্তি দেবেন, সকল দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।’ (আবু দাউদ) তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার আমলনামায় অধিক পরিমাণে ক্ষমা প্রার্থনা যোগ করতে পেরেছে, তার জন্য সুসংবাদ রয়েছে।’ (ইবনে মাজাহ) 

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো