বৃহস্পতিবার   ১৯ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪২৯   ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
২৪৫৬৪

পিলখানা হত্যাযজ্ঞ: ১৩ বছর পরও ডুকরে কাঁদে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২  

নতুন শতাব্দীর শুরু থেকেই ভঙ্গুর ছিল বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে দিশাহীন সোনার বাংলা মেরামতের দায়িত্ব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাছে তুলে দেয় দেশের গণতন্ত্রকামী জনতা। 

কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অধীনে সরকার গঠনের মাত্র ৫২ দিন পরই ঘটে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। নবনির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের অপচেষ্টায় নারকীয় কাণ্ড ঘটিয়ে বসে একদল বিপথগামী মানুষ। পরিকল্পিতভাবে ঘটায় বিডিআর বিদ্রোহ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানার বিডিআর সদর দফতরে সেই ঘটনায় ৫৭ জন বীর সেনানীসহ ৭৪ জনের মৃত্যু ঘটে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের উস্কানিতে সাধারণ ও নবাগত সৈনিকরা বিভ্রান্ত হয়ে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটায়। মূলত বাংলাদেশের উন্নতিতে আওয়ামী লীগ যেন কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারে সেই চেষ্টা চালাতেই এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। যার ক্ষতি আজও পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ।

তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কৌশলী সিদ্ধান্ত ও দৃঢ়তায় অনিশ্চয়তা ও ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে রক্ষা পায় জাতি। তাঁর দুরদৃষ্টিতে শান্তি ফিরেছে প্রতিটা বাহিনীতে। হাসি ফুটেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মুখে। 

অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে বিডিআর এর নাম বদলে করা হয় বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে সরকার।

সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কাঠগড়ায় ওঠে বিদ্রোহীরা। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ১৫২ জন বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আদালত। ওই রায়ের ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলের ওপর হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।

জাতির পিতার হাতে গড়া বাহিনী এখন বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত। আর বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে সমুন্নত করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। সগর্বে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর