মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১০ ১৪৩১   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
নতুন প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব র‌্যাংকিং চালু করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রী বাঙালির সব অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব অনুসরণের আহ্বান মাশরাফির শিখা অনির্বাণে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা দেশে তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ২৭ লাখের বেশি ৮ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
২০৮

প্রাথমিকে আর বৃত্তি দেওয়া হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আর বৃত্তি দেওয়া হবে না। তবে ক্ষুদ্র অলিম্পিয়াড, বাংলা অলিম্পিয়াড বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড- এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। 

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন আরো বলেন, এক্সট্রা কো-কারিকুলাম অ্যাকটিভিটিতে উৎসাহিত করার জন্য দেশব্যাপী কম্পিটিশন করা হবে। এরইমধ্যে আমাদের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের মধ্যে আমরা এটি ইনক্লুড করেছি। যেমন- আমরা নাচ, গান আবৃত্তি এগুলোকে উৎসাহিত করছি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, অনেক দিন ধরে আমাদের প্রাথমিকের সমাপনীতে পরীক্ষা ছিল- ঐটার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আলাদা পরীক্ষা না নিয়ে বৃত্তি দেওয়া হতো। এটা ওয়ান কাইন্ড অব ইনসেনটিভ, অনুপ্রেরণা বা ছোট ছোট বাচ্চাদের ইন্সপায়ার করার জন্য।

তিনি বলেন, এখন শিক্ষার যে পরিবর্তন হয়েছে এটা শুধু পরিমার্জন না, এটা একেবারে রূপান্তর হচ্ছে। রূপান্তরের কারণে ২০১০ সালে যে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ছিল; সেটা পুরো পরিবর্তন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ করা হয়েছে।

সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, প্রাক-প্রাথমিক বা প্রাথমিক পর্যায়ে কোচিংমুখিতাকে শতভাগ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ ধরনের কম্পিটিটিভ পরীক্ষা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ বছর পরীক্ষামূলকভাবে আমরা একটি বৃত্তি পরীক্ষা নিয়েছিলাম। তারপর আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, এই বাচ্চাদের কীভাবে উৎসাহিত করতে পারি মেধা বা সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের জন্য, এই প্রক্রিয়া বের করার জন্য আমরা টেকনিক্যাল কমিটি করে দিয়েছি। সেখানে আমাদের কিছু সুপারিশ এসেছিল। যেমন- ক্ষুদ্র অলিম্পিয়াড, বাংলা অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এ ধরনের কার্যক্রম করা।

তিনি বলেন, কোচিংমুখিতা নিরুৎসাহিত করার জন্য আমরা যে সাবকমিটি করে দিয়েছি, তারা আমাদের কিছু সুপারিশ দিয়েছে। আমরা তাদের আরো একমাস সময় দিয়েছি, সেটি দিলে আমরা ঐ দিকে যাবো। কিন্তু আমরা বৃত্তি পরীক্ষা না নেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তাহলে কি বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করে বাংলা অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে মাধ্যমে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে সচিব বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বৃত্তি নয়, তাদের উৎসাহিত করার জন্য অনুপ্রেরণামূলক আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সহায়তা আমরা তাদের দেবো।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর