মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১০ ১৪৩১   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
নতুন প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব র‌্যাংকিং চালু করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রী বাঙালির সব অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব অনুসরণের আহ্বান মাশরাফির শিখা অনির্বাণে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা দেশে তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ২৭ লাখের বেশি ৮ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
১০৩

ফাঁসির আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন বাদীর পরিবার

চৌগাছা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮ মে ২০২৩  

যশোরের চৌগাছায় মাদরাসা ছাত্র মারুফ হোসেন হত্যামামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মারুফের পরিবার। গত বুধবার হাইকোর্ট মারুফ হত্যা মামলায় চার আসামির ফাঁসি ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন। রায়ের পর আসামি ও তাদের স্বজনদের অব্যাহত হুমকির মুখে বাড়ি ছাড়া হওয়ার উপক্রম হয়েছে মারুফের পরিবারের। গতকাল রোববার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন মারুফের মা আবিরন নেসা ও ভাই ফারুক হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে নিহত মারুফ হোসেনের ভাই ফারুক হোসেন বলেন, তার ছোট ভাই মারুফ হোসেন ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট নিখোঁজ হয়। এর ছয়দিন পর ১৬ আগস্ট তার খ--বিখ- দেহ উদ্ধার করা হয়। খুলনা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে ২০১৯ সালের ২৬ মে এই হত্যা মামলায় সব আসামিকে খালাস দেয়া হয়। এরপর বাদী আবিরন নেসা হাইকোর্টে আপিল করেন।

এ আপিল আংশিক মঞ্জুর করে বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার (৩ মে) চারজনকে মৃত্যুদ- ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদ-ের রায় দেন। যে চার আসামিকে হাইকোর্ট মৃত্যুদ- দিয়েছেন তারা হলেন, চৌগাছা উপজেলার স্বর্পরাজপুর গ্রামের মো. সুলাইমান, আবুল বাশার, মো. বাবু ও আজাহারুল ইসলাম ওরফে বুড়ো এবং যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে মো. হজরত আলী মালকে।

ফারুক হোসেন দাবি করেন, রায়ের পর থেকে আসামিরা ও তাদের স্বজনরা প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। গত ৪ মে আসামিরা তাদের বাড়ির সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারপিট করতে উদ্যত হয়। পরে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় পরদিন ৫ মে তারা চৌগাছা থানায় জিডি করেছেন।

মামলার বাদী আবিরন নেসা বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধে আসামিরা তার ছোট ছেলেকে টুকরো টুকরো করে হত্যা করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে খুলনায় রায় পক্ষে এনেছে। কিন্তু আপিল মামলার রায়ে হাইকোর্ট চারজনের ফাঁসি ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে। এখন আসামিরা বেপরোয়া হয়ে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। তিনি দ্রুত মারুফ হত্যা মামলার রায় কার্যকরের দাবি জানান। এই বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, আসামিদের স্বজনরা হুমকি দিচ্ছে এ ধরণের কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর