মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১০ ১৪৩১   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
নতুন প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব র‌্যাংকিং চালু করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রী বাঙালির সব অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব অনুসরণের আহ্বান মাশরাফির শিখা অনির্বাণে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা দেশে তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ২৭ লাখের বেশি ৮ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
৬৫৮

বিদেশেও সুনাম কুড়িয়েছে রাজবাড়ীর ‘ক্ষীর চমচম’

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২২  

রাজবাড়ীর ‘ক্ষীর চমচম’। জেলা পেরিয়ে ভিন্ন জেলা থেকে দেশজুড়ে সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এখন দেশের গণ্ডিও পেরিয়েছে রাজবাড়ীর এই ‘ক্ষীর চমচম’র সুনাম। খাঁটি দুধের তৈরি ছানার এই মিষ্টির লোভ সামলানো বড় চ্যালেঞ্জিং।

রাজবাড়ীর এই ক্ষীর চমচম একটু রসালো হয়। এর ওপর খাঁটি দুধের ছানার তৈরি মাওয়ার শুকনো গুঁড়া দিয়ে হয় ক্ষীর চমচম। যা এটিকে আরও সুস্বাদু করে তোলে।

ময়রা (মিষ্টি তৈরির কারিগর) প্রথমে দীর্ঘ সময় দুধ জ্বালিয়ে ছানায় রূপান্তর করে চমচম তৈরি করেন। সেই চমচম রসে ভিজিয়ে রাখেন। এরপর ছানা দিয়ে তৈরি নরম মাওয়াকে শক্ত মাওয়ায় পরিণত করা হয়। পরবর্তীতে মাওয়া ভেঙে চালনি দিয়ে চেলে গুঁড়া (ক্ষীর) বানিয়ে চমচমের ওপর প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু ক্ষীর চমচম।

বর্তমানে দুধ, চিনি ও কারিগরদের মজুরি বেশি হওয়ায় ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রাজবাড়ীর ক্ষীর চমচম। তবে উৎসব-পার্বণে দাম আরও বেড়ে যায়। সুস্বাদু হওয়ায় জেলা ও দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রাজবাড়ীর ক্ষীর চমচমের সুনাম ছড়িয়েছে বহির্বিশ্বেও।

রাজবাড়ী জেলা শহরে বহু মিষ্টির দোকান থাকলেও হাতেগোনা কয়েকটি দোকানের চমচম উল্লেখযোগ্য। এরমধ্যে ‘ভাদু সাহ’ ও ‘শংকর সাহ’র চমচম বেশি জনপ্রিয়। এছাড়া মিষ্টিবাড়ী, হোসেন মিষ্টান্ন ভান্ডার, বানিবহ দধি ভান্ডারসহ কয়েকটি দোকানের ক্ষীর চমচম বেশ জনপ্রিয়।

মিষ্টির জগতে বহু বছর ধরেই রাজবাড়ীর চমচম বিখ্যাত। চমচমের পাশাপাশি প্যাড়া সন্দেশ, বর্ফি, কাটারিভোগ, রসগোল্লা, রসমালাই, কালোজাম, স্পঞ্জ মিষ্টিসহ বিভিন্ন পদের মিষ্টি রাজবাড়ীতে তৈরি হয়।

চমচম ক্রেতা রবিউল আওয়াল বলেন, ঢাকার অন্য যে কোনো মিষ্টি থেকে রাজবাড়ীর চমচম ভালো ও সুস্বাদু। যার কারণে চমচম কিনতে ঢাকা থেকে রাজবাড়ীতে এসেছেন তিনি। এবার একসঙ্গে ৪০ কেজি চমচম নিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে নিয়েছিলেন প্রায় ৭০ কেজি। প্রতিকেজি ৩৫০ টাকা করে নিয়েছেন।

প্রবাসী আজাহার মল্লিক বলেন, রাজবাড়ীর চমচম ভালো হওয়ায় কয়েকবার তিনি বিদেশে নিয়ে গেছেন। মিষ্টি খেয়ে তার দেশি ও বিদেশি বন্ধু-বান্ধব প্রশংসা করেছেন। তার মতো অনেক প্রবাসী দেশ থেকে যাওয়ার সময় চমচম নিয়ে যায়।

মিষ্টি বাড়ির গৌড় ঘোষ, হোসেন মিষ্টান্ন ভান্ডারের নূরে আলম সিদ্দিকী ও বানিবহ দধি ভান্ডারের লিটন ঘোষ বলেন, খাঁটি দুধের ছানা ও মাওয়ার কারণে রাজবাড়ীর ক্ষীর চমচম বিখ্যাত। 

কিন্তু বর্তমানে সবকিছুর দাম ও কারিগরদের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় ৩৫০ টাকার নিচে কেজি বিক্রি সম্ভব হয় না। জেলায় বহু মিষ্টির দোকান থাকলেও হাতেগোনা কয়েকটি দোকানের ক্ষীর চমচম ভালো।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর