বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯   ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
যশোরে বিনামূল্যে মিলছে হার্ট অ্যাটাকে জীবন রক্ষাকারী ৬ ইনজেকশন ঝিনাইদহে আয়কর দাখিলে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে শেষ ষোলোয় টিকে থাকতে রাতে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা ঝিনাইদহে তিন হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ বেনাপোলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ
২৩

বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলল ভারতে

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২২  

পৃথিবীতে জানা, অজানা, সাধারণ ও বিরল নানান রোগ রয়েছে। কিন্তু এমন কিছু রোগ আছে যেগুলো সম্পর্কে মানুষের ধারণাও নেই। কারণ এগুলো অনেক বেশি বিরল। সেসব রোগেরই একটি হাইপারট্রিকোসিস। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে অস্বাভাবিকরকম চুল গজায়।

আর এ বিরল রোগে আক্রান্ত একজনের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। তার নাম ললিত পাতিদার।

১৭ বছর বয়সী ললিত ছয় বছর বয়স থেকে রোগটিতে আক্রান্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায় তার চোখ, মুখ, নাক চুলে ভরে গেছে। তার চেহারাই দেখা যাচ্ছে না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ললিতের জীবন বিষন্নতা ও কষ্টে ভরা। কারণ নিজ সহপাঠীদের দ্বারাই নিগ্রহের স্বীকার হয়েছেন তিনি। তার বন্ধুরা ভাবত ললিত হয়ত তাদের কামড়ে দেবে। এমনকি তাকে ‘বানর মানুষ’ বলে ডাকত তারা।  

কিভাবে এ রোগ দেখা দিল এবং কিভাবে সে জীবন পার করছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ললিত বলেন, ‘আমি সাধারণ পরিবারের মানুষ। আমার বাবা কৃষক। কলেজে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাবার কৃষিকাজে সহায়তা করি আমি।’

‘আমার জীবনের শুরু থেকেই শরীরে এসব অতিরিক্ত চুল ছিল। বাবা-মা বলেছে জন্মের পর নাকি এমনটি ছিল। ফলে ডাক্তার আমার  পুরো শরীর কামিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ছয় বছর বয়স হওয়ার আগে আমি তেমন কিছু লক্ষ্য করিনি। এরপর আমি দেখতে থাকি আমার পুরো শরীরে চুলি গজিয়ে ওঠছে যা অন্য কারও ছিল না।’

ললিত জানিয়েছেন, তার এ রোগের কোনো চিকিৎসা নেই এবং এখন ‘এ নিয়েই বেঁচে থাকা’ শিখে গেছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, যখন তার বয়স আরও একটু কম ছিল তখন ছোট বাচ্চারা তাকে দেখে পাথর ছুঁড়ে মারত। তারা ভাবত সে হয়ত ভয়ঙ্কর কোনো কিছু।

হাইপারট্রিকোসিস কি?

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোনো পুরুষ এবং নারীর দেহে অস্বাভাবিক রকমের চুল গজানোকে হাইপারট্রিকোসিস বলা হয়। এটি খুবই বিরল একটি রোগ। যা জন্মের সময়ও দেখা দিতে পারে আবার জীবনের পরবর্তী সময়েও হতে পারে। এ রোগে আক্রান্তরা নিপীড়ন ও নিগ্রহের স্বীকার হন। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন তারা।

মধ্যযুগ থেকে বিশ্বের মাত্র ৫০ জন মানুষের মধ্যে বিরল এ রোগ দেখা দিয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর