মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪   আষাঢ় ১০ ১৪৩১   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
নতুন প্রজন্মই স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব র‌্যাংকিং চালু করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রী বাঙালির সব অর্জনই এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব অনুসরণের আহ্বান মাশরাফির শিখা অনির্বাণে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা দেশে তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিক ২৭ লাখের বেশি ৮ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
২৬৩

যশোরের অভয়নগরে উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২৩  

যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নওয়াপাড়া পৌরসভার আয়োজনে ও আফিল গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় ভৈরব নদে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

প্রতিযোগিতার ১২তম আসরে কয়রা, দিঘলিয়া, তেরখাদা, মাগুরা, মুকসুদপুর ও টুঙ্গীপাড়া থেকে মোট আটটি টালাই নৌকা অংশ নেয়। নৌকাবাইচ ঘিরে গোটা এলাকায় সৃষ্টি হয় প্রাণের উচ্ছ্বাস।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নৌকাবাইচ কেন্দ্র করে নারী-পুরুষ ও শিশুদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতা দেখতে উপজেলার তালতলা খেয়াঘাট থেকে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থাকা সংলগ্ন ফেরিঘাট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার স্থানজুড়ে নদের দুই পাড়ে হাজার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটেছে। নদের দুই পাড়ে বসেছে গ্রামীণ মেলা।

এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে খুলনা কয়রার ‘সুন্দরবন টাইগার’। এছাড়া দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার ‘জয় মা কালী’ ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ‘মাগুরা টাইগার’।

সন্ধ্যায় ফেরিঘাট এলাকায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার। নওয়াপাড়া পৌরসভার মেয়র সুশান্ত কুমার দাস শান্তর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন আফিল গ্রুপের প্রতিনিধি মাহাবুব আলম লাভলু।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আবু নওশাদ, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুজ্জামান, নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রবিউল হাসান, অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ, নওয়াপাড়া নদীবন্দরের উপপরিচালক মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।

নৌকাবাইচের আয়োজক মেয়র সুশান্ত কুমার দাস শান্ত বলেন, ‘গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐহিত্য বাঁচিয়ে রাখা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনোদনের ব্যবস্থা করতেই প্রতিবছর এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এবারের আয়োজনে আটটি দল অংশ নিয়েছে।’

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর