রোববার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১২ ১৪২৭   ০৯ সফর ১৪৪২

  যশোরের আলো
৪৪

যশোরে আখের ভালো দামে কৃষকের মুখে খুশির ঝিলিক

নিউজ ডেস্ক:

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২০  

লাভজনক হওয়ায় যশোরে আখের আবাদ বাড়ছে। রোগবালাই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় চলতি বছর আখের ফলনও হয়েছে আশানুরূপ। ক্ষেতের পরিচর্যা ও আগাম আখ মাড়াইয়ে ব্যস্ত যশোরের চাষিরা। পাইকারি-খুচরা বাজারে আখের চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখেও।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে প্রায় দেড়শ হেক্টর বেশি জমিতে আখের আবাদ হয়েছে। চলতি বছর যশোরে সাড়ে ৭শ’ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৬শ’ হেক্টর। যশোরের আট উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আখের চাষ হয়েছে বাঘারপাড়া উপজেলার ১১০ হেক্টর জমিতে। ভালো মাটি, আশানুরূপ ফলন, রোগবালাই কম থাকায় ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় দিন দিন যশোর অঞ্চলে আখ চাষের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া এ অঞ্চলের আখের চাহিদা সারা দেশে রয়েছে। আখ কাটা মৌসুমের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রেতারা আখ কিনতে যশোরে আসে।

বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল আলম বলেন, গত বছরের তুলনায় তার উপজেলায় আখ চাষের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছরও আখের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। ফসলটি খুবই লাভজনক হওয়ায় কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন। আমাদের কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক চাষের ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন।

বাঘারপাড়া উপজেলার দোহাকুলা এলাকার আখ চাষি আল মামুন বলেন, আমি এবার তিন বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। ফলনও মোটামুটি ভালো হয়েছে। বিগত আম্পান ঘূর্ণিঝড়ে ২৬ শতক জমির আখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যার ফলে এবার বাড়তি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বেশি উৎপাদন খরচ হয়েছে। চারা রোপণ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার আখ বিক্রি করতে পারবো।

একই এলাকার ছাইবাড়িয়া গ্রামের আখ চাষি রিপন হোসেন জানান, ধানের দাম না পেয়ে আমি কয়েক বছর ধরে আখ চাষ করছি। গত বছর আখের আশানুরূপ ফলন ও ন্যায্যমূল্য পেয়েছিলাম। সরকারি সহযোগিতা পাওয়া গেলে আখ চাষ আরও বাড়বে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর