বুধবার   ১৯ জুন ২০২৪   আষাঢ় ৪ ১৪৩১   ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
সেন্টমার্টিনে বিজিবি ও পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ বাংলাদেশকে সুপার এইটে তুললো বোলাররা দলীয় নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় আসুন ত্যাগের মহিমায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করি: প্রধানমন্ত্রী চামড়া কেনায় ট্যানারি মালিকরা ২৭০ কোটি টাকা ঋণ পাচ্ছে
৭০

যশোরে প্রচন্ড গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৪  

প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরমে নাকাল হয়ে পড়েছে যশোরের জনজীবন। ঘরে বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। গত ৯ জুন সূর্যের তেজ ছিল প্রখর। তারপর জীবিকার তাগিদে শ্রমজীবী মানুষ খাঁ খাঁ রোদে কাজ করতে গিয়ে হাঁফিয়ে উঠছেন। গরমে ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। তাপদাহে শিশু বয়স্করা অসুস্থ হচ্ছেন বেশি। ফলে হাসপাতালে রোগীও সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, যশোরে তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ছিল ৩৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, প্রাণ বেরিয়ে যাবার মতো এই গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রখর রোদ থেকে ঘরে ফিরেও গরমে তার মতো অনেকেই ছটফট করছেন। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। ফ্যানের বাতাসেও গরম। এই গরম কোনোভাবেই সহ্য করার মতো না।

চান্দুটিয়া গ্রামের রড মিস্ত্রি রনি জানান, গরমের কারণে রডে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। তারপরও কষ্ট করে কাজ করতে হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি তাতে কাজ না করে উপায় নেই।

কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, পাটক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে তার মনে হচ্ছিল রোদ যেন আগুনের ফুলকি হয়ে ঝরছে। আগুনঝরা রোদের তেজে বাইরে বের হওয়া মুশকিল। যা সত্যিই কষ্টকর ছিলো। কিন্তু জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে রোদে পুড়ে কাজ করেছেন।

রিকসা চালক সালাউদ্দিন মিয়া জানান, প্রচণ্ড তাপের মধ্যে রিকসা চালাতে মন চায় না তার। কিন্তু অভাবের সংসার। তাই কষ্ট হলেও রিকসা চালানো ছাড়া উপায় নেই। তিনি বলেন, গরমের কারণে দুপুরের দিকে শহরে রাস্তায় খুব বেশি মানুষের ভিড় থাকছে না। কড়া রোদে মানুষের শরীরপুড়েযাচ্ছে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুস সামাদ জানান, প্রচন্ড গরমের কারণে হাসপাতালে শিশু বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বেশির ভাগ শিশু বয়স্করা ঠান্ডা জ্বর কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।

ভাইরাল ফিভারবা মৌসুমি রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ানো ছাড়াও রোদে ঘোরাঘরি করতে না দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক। তিনি জানান, গরমে বাড়ছে অস্বস্তি। কড়া রোদ আবহাওয়ার কারণে বয়স্ক মানুষ নানা ধরণের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর