মঙ্গলবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২   আশ্বিন ১১ ১৪২৯   ০১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন নিউজ উইকে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের গল্প অবহেলিত মেটে আলু স্বপ্ন দেখাচ্ছে চৌগাছাবাসীকে যশোর-ঝিনাইদহ-মাগুরায় শাক সবজির বিরাট ফলন অভিশপ্ত ইনডেমনিটি ও ইতিহাসের কালো আইন যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে টিকে রইল ৫২ প্রার্থী ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় কালনা মধুমতি সেতু
৭১

যশোরে ৪ উদ্যোক্তার তৈরি সফটওয়্যার যাচ্ছে বিদেশেও

প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

যশোরের উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত সফটওয়্যার দেশের অঙ্গন পেরিয়ে এখন যাচ্ছে বিদেশেও। শুধু বিদেশ বললে ভুল হবে। বিশ্বের নামকরা দেশ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরবে যাচ্ছে যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে তৈরি এই সফটওয়্যার।

জানা যায়, যশোরের শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বসে আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যার তৈরি করছে সেমিকোলন-আইটি সলিউশনস। সফটওয়্যার তৈরির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজও করছে চার উদ্যোক্তার গড়া প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৯ সালের আগস্টে যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ১২ তলায় কাজ শুরু করে সেমিকোলন-আইটি সলিউশনস। প্রতিষ্ঠানটি মূলত ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সফটওয়্যার তৈরি করে। পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজও করে থাকে। দক্ষ পেশাজীবী গড়ে তুলতে প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

যাত্রা শুরুর মাত্র তিন বছরের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে সফটওয়্যার রপ্তানি করেছে সেমিকোলন। দেশেও সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও ব্যবহৃত হচ্ছে সেমিকোলনের তৈরি সফটওয়্যার। 

এরই মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), মেট্রোরেল লাইন-৫, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য সফটওয়্যার তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সেমিকোলনের তৈরি ‘মাটির ব্যাংক’ নামের ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার এরই মধ্যে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একতা সোসাইটি ও মণিরামপুর উপজেলার সৃজন বহুমুখী সমবায় সমিতি ব্যবহার করছে।

পারভেজ মাহমুদ, খন্দকার রাশেদ মেনন, মিলন হোসেন ও বিপ্রদাস রয় প্রতিষ্ঠা করেন সেমিকোলন-আইটি সলিউশনস। আইটি পার্কে কাজ শুরুর পর কার্যালয়ের আকার বড় হওয়ার পাশাপাশি কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে সেমিকোলনে ২৫ জন কর্মী রয়েছেন, যার মধ্যে ১২ জন নারী। 

গত তিন বছরে ব্যয় বাদ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা হয়েছে ৩৬ হাজার ডলার। ফলে যাত্রা শুরুর তিন বছরের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে সেমিকোলনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে, এটি তিন বছর বয়সী প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন। 

২০২০ ও ২০২২ সালে হায়দরাবাদ ও দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘ইন্ডিয়া সফট’ আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সরকারি উদ্যোগে অংশ নিয়েছিল সেমিকোলন আইটি।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর