শনিবার   ০৪ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ১৯ ১৪২৭   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

  যশোরের আলো
৭২

যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৩২ জন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২০  

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে আটকা প্রশাসনে থাকা যুগ্ম সচিব পদে ১৩২ জনকে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

পৃথক প্রজ্ঞাপনে ১২৩ ও ৬ জন মিলে ১২৩ জনের আদেশ জারি করা হলেও এর সঙ্গে লিয়েনে থাকা আরও ৯ জনের নাম যুক্ত হবে। যারা লিয়েন শেষে দেশে ফিরলে প্রজ্ঞাপন জারি হবে। তবে এবারও পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পারেনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ১৮তম ব্যাচ ছাড়াও লেফট আউট তালিকার সিনিয়র কর্মকর্তাদের বেশ কয়েকজন যুগান্তরকে জানিয়েছেন, সব শর্ত পূরণ থাকার পরও তারা পদোন্নতি পাননি। যারা উপসচিব পদেও পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছিলেন। কেউ কেউ অসত্য রাজনৈতিক কারণ এবং ব্যাচমেটদের নেতিবাচক ভূমিকাকে দায়ী করেছেন।

যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিতে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে এসএসবির বৈঠক শুরু হয়। কিন্তু মার্চের শেষদিকে সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে আটকে যায় একরকম চূড়ান্ত হওয়া পদোন্নতি প্রক্রিয়া। তবে অনেকটা বিলম্ব হলেও বৃহস্পতিবার শেষ দফা বৈঠক করে সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। যথারীতি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তাদের দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষার ইতি ঘটেছে শুক্রবার। যদিও পদোন্নতিবঞ্চিতদের ক্ষোভ-অসন্তোষ থেকেই যাবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, পদোন্নতি না পাওয়ার অভিযোগ আজকে নতুন নয়। যখনই পদোন্নতি হয়, তখনই এ রকম অভিযোগ সামনে আসে। তবে সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য কারণ ছাড়া কাউকে পদোন্নতির বাইরে রাখা হয়নি। যারা পদোন্নতি পাননি তাদের কম-বেশি কারণ জানার কথা। অনেকের পদোন্নতি বিধিমালার শর্ত পূরণ নেই। কারও বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য কিংবা নেতিবাচক রিপোর্ট রয়েছে। তা সত্ত্বেও ভবিষ্যতে রিভিউ করার সুযোগ তো থাকছেই।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৩ জন লেফআউট, ১৮তম ব্যাচের ৭০ জন। এর সঙ্গে যুক্ত হবে লিয়েনে থাকা কর্মকর্তাদের সংখ্যা। এছাড়া আর্দাস ক্যাডার থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন ৪০ জন। যারা এর আগে উপসচিব হওয়ার সময় অন্য ক্যাডার থেকে অপশন দিয়ে প্রশাসন পুলে যোগ দিয়েছেন।

যারা যুগ্ম সচিব হলেন : এসএম মাসুদুর রহমান (৫৪৬০), মো. আতাউর রহমান (৫৫১৫), মো. গিয়াস উদ্দিন মোঘল (৫৫৯১), ড. খুরশীদ আলম (৫৭৫৯), মো. এজাজ আহমেদ জাবের (৫৯৬৮), বেগম মাহবুবা ফারজানা (৬০৩৮), মোহাম্মদ আবদুর রউফ (৬০৬৮), মো. হামিদুর রহমান (৬০৯৬), সৈয়দ মো. নুরুল বাসির (৬৩১৯), মো. ইব্রাহিম খান (৬৪০৪), মো. কামরুজ্জামান (৬৪২৮), মোহাম্মদ মফিজুর রহমান (৬৪৪৮), আবু হেনা মোস্তফা জামান (৬৪৫০), মো. মনিরুল ইসলাম (৬৪৮২), খন্দকার আজিম আহমেদ (৬৪৮৬), বেগম মনোয়ারা ইশরাত (৬৪৮৮), বেগম মিরানা মাহরুখ (৬৪৮৯), মো. ওয়াহিদুল ইসলাম (৬৪৯০), মো. আজিজুল ইসলাম (৬৪৯১), মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া (৬৪৯২), ফয়েজ আহাম্মদ (৬৪৯৩), মো. শহিদুল ইসলাম (৬৪৯৫), মো. হামিদুল হক (৬৪৯৬), মো. এরশাদুল হক (৬৪৯৮), মো. আবুল ইসলাম (৬৫০৩), মো. জিয়াউল হক (৬৫০৪), সৈয়দা নওয়ারা জাহান (৬৫০৫), বেগম ফারাহ শাম্মী (৬৫০৬), মো. আবদুর রাজ্জাক (৬৫১০), ড. এএনএম বজলুর রশীদ (৬৫১১), মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী (৬৫১৩), বেগম বদরুন নাহার (৬৫১৪), আবু ছালেহ মুহাম্মদ ফেরদৌস খান (৬৫১৫), গৌতম চন্দ্র পাল (৬৫১৮), বেগম হুমায়রা বেগম (৬৫১৯), মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভূঁঞা (৬৫২০), বেগম সুরাইয়া পারভীন শেলী (৬৫২১), মো. হাসান মারুফ (৬৫২৩), মো. মোখলেছুর রহমান (৬৫২৫), মো. জাহিদুল ইসলাম ভুঞা (৬৫২৭), মোহাম্মদ হাসান আরিফ (৬৫২৮), শাহানা সারমিন (৬৫৩০), ড. আবু শাহীন মো. আসাদুজ্জামান (৬৫৩১), বেগম নাসিমা পারভীন (৬৫৩২), একেএম বেঞ্জামিন রিয়াজী (৬৫৩৩), মো. সাইফুল ইসলাম (৬৫৩৪), আবু নূর মো. শামসুজ্জামান (৬৫৩৫), মো. এমদাদুল হক চৌধুরী (৬৫৩৬), তন্ময় দাস (৬৫৩৭), বেগম নুরুন আকতার (৬৫৩৮), বেগম রেহানা ইয়াছমিন (৬৫৩৯), ইয়াসমিন বেগম (৬৫৪০), মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (৬৫৪২), মো. আয়াতুল ইসলাম (৬৫৪৩), বেগম রহিমা বেগম (৬৫৪৭), কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (৬৫৪৮), মোহাম্মদ শফিউল আরিফ (৬৫৫০), মো. সেলিম খান (৬৫৫১), বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ (৬৫৫৩), আবদুল লতিফ মোল্লা (৬৫৫৪), মো. ইমতিয়াজ হোসেন (৬৫৫৫), মো. আবদুর রাজ্জাক সরকার (৬৫৫৭), মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (৬৫৫৮), বেগম নাফরিজা শ্যামা (৬৫৫৯), মো. সেলিম ফকির (৬৫৬১), এএনএম মইনুল ইসলাম (৬৫৬২), সেখ আখতার হোসেন (৬৫৬৩), মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী (৬৫৬৪), মো. মাহফুজুল আলম খান (৬৫৬৬), বেগম জেসমিন নাহার (৬৫৬৮), ড. মো. জিয়াউদ্দীন (৬৫৬৯), বেগম আয়েশা আক্তার (৬৫৭০), মো. সাঈদ কুতুব (৬৫৭২), মো. হামিদুল হক (৬৫৭৩), মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন (৬৫৭৪), মো. আবদুল মান্নান (৬৫৭৫), খন্দকার জহিরুল ইসলাম (৬৫৭৯), মনিশ চাকমা (৬৫৮১), ড. মো. আবুল হোসেন (৭৭৯১), ড. গোলাম মো. ফারুক (৭৭৯২), মুন্সী আবদুল আহাদ (৭৬৪৪), বেগম রাশেদা জামান (৭৬৯৮), শীষ হায়দার চৌধুরী (৭৭০৩), মো. মনিরুল ইসলাম (৭৭০৮), মৃত্যুঞ্জয় সাহা (৭৭০৭), মো. শাহ আলম (৭৭৭৭), ড. মুহাম্মদ মেহেদী হাসান (৭৭১০), ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ (৭৬৫২), মো. মনোয়ার হোসেন (৭৬৫৪), শিখা সরকার (৭৭১৩), মো. আ. খালেক মল্লিক (৭৭১৪), বেগম ফাহমিদা আখতার (৭৭১৫), মো. ফজলুল হক (৭৭১৬), সাইফ উদ্দিন আহমেদ (৭৭১৭), মো. মঈনুল ইসলাম তিতাস (৭৭১৮), সালেহ আহমদ (৭৮০১), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (৭৮০২), বেগম আসমা তাসকিন (৭৭৩২), একেএম শহিদুল্লাহ (৭৭৩৩), ড. উত্তম কুমার দাশ (৭৭৩৪), খম রফিকুল ইসলাম (৭৭৩৫), মো. আবুল খায়ের (৭৭১৯), ড. নাহিদ হোসেন (৭৭৪৭), এএম মোতাহের হোসেন (৭৭৩৮), মো. আবদুর রহিম (৭৭৩৯), সুবোধ চন্দ্র ঢালী (৭৭৪০), মো. শরাফত জামান (৭৭৮৬), মো. আমিরুল ইসলাম (৭৬৭৮), মো. মোশাররফ হোসেন (৭৭৫৭), মো. আনিসুর রহমান (৭৭৬১), ড. মো. মশিউর রহমান (৭৭৬২), মো. জাহিদুল হক সরদার (৭৭৬৫), গোলাম সরওয়ার-ই-কায়নাত (৭৬৮৭), আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ফারুক (৭৭৭৫), মো. মিজানুর রহমান (৭৬৮১), মীর জাহিদ হাসান (৭৬৮৯), মো. কাউসার আহম্মেদ (৭৭২৫), মো. হুমায়ুন কবির (৬৪৮৭), এসএম জাকারিয়া হক (৬৫১৬), হাসান খালেদ ফয়সাল (৬৫২৯), জিয়াউল আবেদীন (৬৫৪১), মো. সবুর হোসেন (৬৫৫২), নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ (৭৬৭৩)।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর