সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ১০ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পায়রা সেতু কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় হবে বিশেষ সেল অবশেষে দেশে চালু হচ্ছে পেপ্যাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুত নেয়ার পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ
২৯

রঙ লাগানো বিজ্ঞাপন প্রচার

সাধারণ গ্রাহকের চোখে ধূলো দিচ্ছে বিকাশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২১  

চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকের পকেট কেটে নেয়া বিকাশের পুরোনো অভ্যাস। নতুন করে আবারও সেই ধূর্ত কাজটি শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ‌‘ক্যাশ আউটে চার্জ কমলো’ শিরোনামে বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহক আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।

সত্যিকার অর্থে বিকাশের ক্যাশ আউটে চার্জ এক পয়সাও কমেনি। বরং রঙ লাগানো বিজ্ঞাপন প্রচার করে  সাধারণ গ্রাহকের চোখে ধূলো দিচ্ছে বিকাশ। এমনকি মোবাইলে আর্থিক লেনদেনের সেবা ভোগান্তিতে রূপান্তর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিকাশ।

বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, যেকোনো একটি এজেন্ট নাম্বারকে প্রিয় নাম্বার হিসেবে সেট করার পর সেখান থেকে ক্যাশ আউট করতে চার্জ লাগবে ১.৪৯%। অর্থাৎ হাজারে ১৪.৯০ টাকা।

প্রিয় নাম্বারের ফাঁদে পড়ে গ্রাহকরা চরম ক্ষেপেছেন। তারা বলছেন, একটি এজেন্ট থেকেই যদি টাকা উঠাতে হয়, তাহলে আর মোবাইল ব্যাংকিং কেন? ব্যাংক থেকে লেনদেন করলেই হয়। এটা সুবিধা দেয়ার নামে এক ধরণের প্রতারণা।

শুধু তাই নয়, একটি প্রিয় এজেন্ট নাম্বার থেকে ১.৪৯% হারে খরচে মাসে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তোলা যাবে। ২৫ হাজার টাকার বেশি তুলতে গেলে  ১.৮৫% হারে খরচ কার্যকর হবে। যা অ্যাপসের ক্ষেত্রে আগে ছিল ১.৭৫%। অর্থাৎ প্রতি হাজারে গ্রাহকদের এখন আরও ১ টাকা বেশি কাটবে বিকাশ।

বিকাশের এই প্রতারণায় গ্রাহকমহল নাজেহাল সেইসাথে ক্ষুব্ধ। বিশেষ করে নির্দিষ্ট এজেন্ট সেট করা এবং আগের চেয়ে ক্যাশ আউট চার্জ বাড়িয়েও এটাকে সুবিধা হিসেবে প্রচার কেন করছে সেটাই বুঝতে পারছেন না প্রান্তিক গ্রাহকরা।

প্রতি হাজারে ১৪.৯০ টাকা ক্যাশ আউট চার্জ দেখিয়ে অ্যাপস থেকে চার্জ বৃদ্ধি করলো বিকাশ। আগে যা ছিল হাজারে ১৭.৫০ টাকা এখন তা ১৮.৫০ টাকা।

এখানেই শেষ নয়, হিসাবে দেখা গেছে ১৪.৯০ টাকা দেখিয়ে সেখানে ১৮.৫০ টাকা চার্জ নেয়া মানে প্রায় ৫ টাকা বেশি রাখছে বিকাশ। এরকম প্রতারণায় ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া বিকাশ বয়কটের ডাক দিতে প্রস্তুতি দিচ্ছেন মোবাইলে আর্থিক লেনদেন করা গ্রাহকের বিশাল একটি অংশ

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর