রোববার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১২ ১৪২৭   ০৯ সফর ১৪৪২

  যশোরের আলো
১১২

১৬৬২ কোটি টাকায় নাভারন-সাতক্ষীরা রেলপথ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ভারত-বাংলাদেশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সহজ করতে ১৬৬২ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ থেকে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করছে সরকার।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নে এ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। নাভারন থেকে মুন্সীগঞ্জ গ্যারেজ পর্যন্ত রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে ৯৮ দশমিক ৪২ কিলোমিটার। ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দবিহীন নতুন প্রকল্প তালিকায় এই রেলপথ সরকারের অগ্রাধিকার নির্মাণ পরিকল্পনায় রয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এ রেলপথ নির্মাণের ব্যয়ের ৩৩২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা দিবে সরকার। বাকী এক হাজার ৩২৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা 'কন্সট্রাকশন অব নিউ বিজি ট্র্যাক ফর্ম নাভারন টু সাতক্ষীরা প্রকল্প'র আওতায় চীন সরকারের কাছ থেকে ঋণ চাওয়া হয়েছে। 

সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সরাসরি ট্রেন যাবে মুন্সীগঞ্জ পয়েন্টে পর্যন্ত। মুন্সীগঞ্জ পয়েন্ট থেকে সুন্দরবন নিকটে হওয়ায় উদ্ভিদ ও প্রাণী বৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করে সুন্দরবন থেকে ১০ কিলোমিটার আগেই টানা হবে রেলপথের সীমারেখা। এই রেলপথে রাখা হবে মোট আটটি স্টেশন।

এগুলো হলো- নাভারন, বাগআচড়া, কলারোয়া, সাতক্ষীরা, পারুলিয়া, কালীগঞ্জ, শ্যামনগর ও মুন্সীগঞ্জ। একইসঙ্গে রেলপথের সেতু নির্মিত হবে বাঁকাল, লাবণ্যবতী, সাপমারা খাল ও কাকশিয়ালী নদীর ওপর।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান আ ন ম আজিজুল হক জানান, সুন্দরবন ও ভোমরা বন্দরের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এই প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ বর্তমানে প্রাথমিক অবস্থায় আছে। এই রেলপথের নির্মাণ কাজ শেষ হলে অর্থনৈতিকভাবে এলাকাগুলোর অবস্থান অনেক বেড়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, নতুন এই রেলপথ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রেলপথটি নির্মাণে চীনসহ কয়েকটি উন্নয়ন সহযোগী খোঁজা হচ্ছে। যে দেশের প্রপোজাল বেশি সুবিধাজনক মনে হবে সেই দেশকে এ প্রকল্পের উন্নয়ন সহযোগী করা হবে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর