বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯   ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগ কখনো সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেয় না এইডস রোগীদের জন্য যশোরে হচ্ছে এআরটি সেন্টার যশোরে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অক্ষত ছিল যে পতাকা খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন
৮৫

অবহেলিত মেটে আলু স্বপ্ন দেখাচ্ছে চৌগাছাবাসীকে

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

গ্রামে-গঞ্জের অবহেলিত ফসল মেটে আলু চৌগাছার চাষিদের দিচ্ছে লাভের সন্ধান। যশোর জেলার চৌগাছায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে মেটে আলুর চাষ। প্রতিকূল পরিবেশের মাঝেও কৃষি অফিসের সহযোগিতা নিয়ে ভিন্নধর্মী এ ফসল চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। 

কম খরচে বেশি লাভ হওয়া এবং বাজারে চাহিদা থাকায় ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষক। সে কারণে মেটে আলু চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। অঞ্চলভেদে এ সবজিটি বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে পরিচিত।

চৌগাছা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮০ হেক্টর জমিতে মেটে আলুর চাষ হয়েছে। মেটে আলু ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের খুবই ভালো উৎস। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম রয়েছে।

কৃষকরা জানান, বৈশাখ কিংবা জ্যেষ্ঠ মাসে জমিতে মেটে আলুর বীজ বপন করতে হয়। একটু দূরে দূরে গর্ত করে, সেখানে আলু বীজ লাগিয়ে দিলেই কাজ মোটামুটি শেষ। পরের বছর ঘুরে আসতেই প্রতিটি আলু ৮-১৫ কেজি ওজনের হয়। শীতের শুরুতে আলু উঠতে শুরু করে। পোকা মাকড়ের উৎপাত কম হওয়ায় সার বা কীটনাশক লাগে না। 

বাজারে প্রতিমণ আলু পাইকারি এক হাজার ৩০০ টাকা থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিনা খরচে ৫ থেকে ৬ মাসে কৃষক এ ফসলের টাকা হাতে পান। ভালো ফলন হলে বিঘা প্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকার আলু বিক্রি করা সম্ভব। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জানান, মেটে আলু চাষে ব্যয় ও পরিশ্রম দুটোই অন্য যেকোনো ফসলের চেয়ে কম। কম খরচে বেশি লাভের কারণে মেটে আলুর চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকদের সব বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর