শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ১৭ ১৪২৯   ০১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
১৬ লাখ পথশিশুকে জন্মনিবন্ধন সনদ দিতে হাইকোর্টের রুল ই-গেটের মাধ্যমে মিনিটেই ইমিগ্রেশন পার জঙ্গিরা কোণঠাসা, ‘বাংলাদেশ’ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ বিসিক যশোরের ৩০জন প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বাঘারপাড়া পৌরসভায় প্রায় ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
৩২১৫

বঙ্গোপসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি ২০২২  

বঙ্গোপসাগরে দেশের সমুদ্রসীমা এলাকায় বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেটের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে এবং ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক টিসিএফ গ্যাস সেখানে থাকার অনুমানের তথ্য জানিয়েছেন মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট।

বুধবার (৫ জানুয়ারি)  এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট এ সুখবর দেয়।

শুধু গ্যাস হাইড্রেট নয়, কয়েকশ’প্রজাতির সি-উড, সামুদিক মাছ, ঝিনুকসহ বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিজ ও প্রাণীজ সম্পদের সন্ধান মেলার কথাও জানান হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডসের সহায়তার সমুদ্রে এ জরিপ হয়েছে। আমরা খুবই আনন্দিত যে, দুটি জরিপই অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং দেশের জন্য আশার বার্তা নিয়ে এসেছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, বাংলাদেশে ২২০ প্রজাতির সি-উইড, ৩৪৭ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, ৪৯৮ প্রজাতির ঝিনুক, ৫২ প্রজাতির চিংড়ি, ৫ প্রজাতির লবস্টার, ৬ প্রজাতির কাঁকড়া, ৬১ প্রজাতির সি-গ্রাস চিহ্নিত হয়েছে।

মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের (এমএইউ) সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) খুরশিদ আলম বলেন, ৬০০০ কিলোমিটার লাইনের বঙ্গোপসারের পুরো জায়গায় জরিপ করা হয়নি। যতটুকু জায়গা জুড়ে করা হয়েছে তাতে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেট জমার পরিমাণ ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক টিসিএফ গ্যাস।

সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, এ গ্যাস হাইড্রেট হচ্ছে জমাটবদ্ধ মিথেন গ্যাস। ইতোমধ্যে এর অবস্থান, প্রকৃতি ও মজুদের বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেলেও মহীসোপানের সব এলাকার পূর্ণাঙ্গ সিসমিক জরিপ শেষেই প্রকৃত মজুদ নিরূপণ করা সম্ভব হবে। 

গ্যাস হাইড্রেট মূলতঃ উচ্চচাপ ও নিম্ন তাপমাত্রায় গঠিত জমাট বরফ আকৃতির এক ধরনের কঠিন পদার্থ, যা স্তূপ আকারে থাকা বালির ছিদ্রের ভেতরে ছড়ানো স্ফটিক আকারে অথবা কাদার তলানিতে ক্ষুদ্র পিন্ড, শিট বা রেখা আকারে বিদ্যমান থাকে।

২০১২ সালে সমুদ্রসীমা জয়ের কয়েক বছর পর শুরু হয় বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধানের কাজ। নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যকে সঙ্গে নিয়ে চলে গবেষণা। এ নিয়ে প্রাথমিক ফলাফল তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সম্ভাব্য গ্যাস মহীসোপানের প্রান্তসীমায় ৩০০ মিটারের অধিক গভীরতায়, যা সাধারণত ৫০০ মিটার গভীরতায় স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে।

স্থিতিশীল গ্যাস হাইড্রেট সমৃদ্ধ এ অঞ্চল সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর