বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯   ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগ কখনো সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেয় না এইডস রোগীদের জন্য যশোরে হচ্ছে এআরটি সেন্টার যশোরে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অক্ষত ছিল যে পতাকা খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন
১০৯

বিরোধীরাও অন্তরে ইভিএম বিশ্বাস করে: নির্বাচন কমিশনার

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২  

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ১২ কোটি ভোটারের আস্থা আছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘যেসব দল ইভিএমের বিরোধিতা করে, তারাও অন্তরে বিশ্বাস করে ইভিএম ভালো।’ এ ছাড়া আগামী নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে বলেও মনে করেন তিনি।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর এ কথা বলেন।

ইভিএম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ১২ কোটি ভোটারের পরিপূর্ণ আস্থা আছে। যাঁরা আস্থা নেই বলছেন, তাঁদের অন্তরে হয়তো আস্থা আছে। এটি হয়তো রাজনৈতিক কৌশল। তিনি বলেন, যাঁরা ইভিএমের বিরোধিতা করছেন, তাঁরা অনানুষ্ঠানিকভাবে যখন নির্বাচন কমিশনের কাছে আসেন, তখন ইভিএমে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার প্রশ্ন রাখেন, ‘যত জায়গায় নির্বাচন হয়েছে, কোথাও কি ভোটারদের দেখেছেন, এটি নিয়ে আপত্তি করতে বা মিছিল বের করতে বা কোনো আর্টিকেল (নিবন্ধ) লিখতে?’

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, একটি দল ইভিএমের বিরোধী। কিন্তু তাঁদের একজন সংসদ সদস্য লিখিতভাবে ইসিকে অনুরোধ করেছেন, তাঁর এলাকায় ইভিএমে ভোট করার জন্য। এর মানে, তিনি অন্তরে বিশ্বাস করেন ইভিএম ভালো।

এটি শুধু একজনের মনোভাব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর বলেন, ‘উনি (সংসদ সদস্য) না, সবাই।’

যাঁরা ইভিএম নিয়ে আর্টিকেল লেখেন, তাঁরা ইভিএম দেখেননি, নির্বাচন কমিশনের কাছে ইভিএম নিয়ে কিছু শুনতেও চাননি, ইভিএমে ভোটও দেননি—দাবি করে মো. আলমগীর বলেন, ‘ভোটাররা ইভিএম বিশ্বাস করেন।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘যত জায়গায় নির্বাচন হয়েছে কোথাও কি ভোটারদের দেখেছেন, এটি নিয়ে আপত্তি করতে বা মিছিল বের করতে বা কোনো আর্টিকেল (নিবন্ধ) লিখতে?’

ইভিএমে কারচুপি, আগের রাতে ভোট দেওয়া, ব্যালট ছিনতাই, জালভোট দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে মো. আলমগীর বলেন, পারলে তাঁরা ৩০০ আসনেই ইভিএমে ভোট গ্রহণ করতেন। যেখানে ইভিএমে ভোট হবে, সেখানে খুব বেশি ফোর্স (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য) মোতায়েন করতে হবে না। তাই যেখানে ব্যালটে ভোট গ্রহণ করা হবে, সেখানে বেশি ফোর্স মোতায়েন করতে হবে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর