সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ১০ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পায়রা সেতু কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় হবে বিশেষ সেল অবশেষে দেশে চালু হচ্ছে পেপ্যাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুত নেয়ার পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ
৩৪

কুষ্টিয়ায় মাল্টা চাষে ময়না খাতুনের সাফল্য

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

বাড়ির পাশে অনাবাদি জমিতে মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ময়না খাতুন। 

স্বামী প্রায় দুই যুগ ধরে দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকলেও দেশে মাল্টা বাগান নিয়েই তার যত ব্যস্ততা। যদিও এই বাগান তৈরির ব্যাপারে স্বামীরও উৎসাহ রয়েছে।  

সরেজমিনে মাল্টা বাগান পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, গাছে গাছে সবুজ পাতার আড়ালে ও ডালে ডালে ঝুলছে থোকায় থোকায় মাল্টা। বাতাসে মাল্টার টক-মিষ্টির গন্ধ। দুইজন শ্রমিক নিয়ে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত ময়না খাতুন। কোন গাছের পাতা ছিঁড়তে হবে গাছের গোড়া পরিষ্কার করতে হবে এসব নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। 

ময়না খাতুন বলেন, স্বামীর অনুপ্রেরণায় ২০১৭ সালে সিলেট থেকে ৫৭০টি বারি-১ জাতের চারা এনে ৬ বিঘা জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলি। বর্তমানে  মাল্টার বাগান এখন দেখার মতো। আশানুরূপ ফলও পেতে শুরু করেছি। কয়েক দিনের মধ্যেই বাগানের মাল্টা বিক্রি শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।  

এছাড়াও তার বাগানে সিডলেস ও চায়না লেবু এবং কিছু লিচু গাছও রয়েছে। প্রতিকেজি মাল্টা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। 

বাগান পরিদর্শনে আসেন অনেক দর্শনার্থী। তেমনি একজন দর্শনার্থী বিভাস চৌধুরী।  তিনি বলেন,বাগানে এসে নিজ হাতে ফল পেড়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। বাগান ঘুরে নিজের কাছে অনেক ভালো লেগছে এবং সব থেকে বড় সুবিধা হলে বাগান থেকেই তরতাজা গাছপাকা মাল্টাও কিনতে পাওয়া যায়। 

উপজেলার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল গোলাম রাজন বলেন, ‘মাল্টা একটি অর্থকরী ফসল। মাল্টা বারি-১ একটি উচ্চ ফলনশীল সুস্বাদু ফল। ময়না খাতুনের মাল্টার বাগানে আমি সবসময়ই নানান পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি।’ 

তিনি আরও বলেন, ভেড়ামারায় তার মতো এতোবড় মাল্টার বাগান আর নেই। তাকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কেবল পরামর্শ প্রদান করেছি।
 
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ জানান, একজন নারী হয়েও ময়না খাতুন এতো সুন্দর মাল্টা বাগান করে উপজেলাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তার বাগানে কোন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এমন সুন্দর বাগান এ অঞ্চলে মাল্টা উৎপাদনে অনেককেই উৎসাহিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। 

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর