সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ১০ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পায়রা সেতু কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় হবে বিশেষ সেল অবশেষে দেশে চালু হচ্ছে পেপ্যাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুত নেয়ার পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ
১৭১

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ইলিশের প্রথম চালান গেল ভারতে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ভারতে দুই হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেয়ার পর মাছের প্রথম চালান বেনাপোল বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রথম চালানের ৭৮ টন ৮৪০ কেজি মাছ ভারতে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ মাছ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে এরপর বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার ভারত সরকারকে শুভেচ্ছা উপহার স্বরুপ ইলিশ মাছ দিয়েছে। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর দুই হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেয় সরকার। শারদীয়া দুর্গাপূজার আগে পদ্মার ইলিশ পেয়ে ওপার বাংলার মানুষ খুবই খুশি।

বেনাপোল স্থলবন্দর মৎস্য কোয়ারেনটাইন পরিদর্শক আসাদুল ইসলাম বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার দুই হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেয় সরকার। এসব ইলিশ রফতানির অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশের ৫২টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ইলিশের প্রথম চালান ৭৮ টন ৮৪০ কেজি ভারতে প্রবেশ করেছে। পর্যায়ক্রমে বাকি মাছ রফতানি হবে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব ইলিশ মাছ রফতানির নির্দেশনা রয়েছে।

বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট ‘নিলা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি রুবাইত বলেন, এবার প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি মূল্য ১০ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা। ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলিশের এ চালান ছাড় করা হবে। 

শার্শা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসান জানান, এ বছর ৪০ মেট্রিক টন করে ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে এক হাজার ১৮০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ ভারতে রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

ইলিশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- খুলনার সাউদার্ন ফুড লিমিটেড, ঢাকার ইউনিয়ন ভেঞ্চার, যশোরের রহমান ইমপেক্স ও পাবনার সেভেনস্টার ফিস প্রসেসিং কোং নামের চারটি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান।

প্রসঙ্গত, পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে প্রিয় হলেও দেশের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন সময় তা রফতানি বন্ধ রাখে বাংলাদেশ সরকার। ২০১২ সালের আগে ভারতে ইলিশ রফতানি করা হতো। তবে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০১২ সালের পর ইলিশ রফতানি বন্ধ করে দেয় সরকার। গত বছরও দুর্গাপূজা উপলক্ষে এক হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দিয়েছিলো সরকার। এরপর থেকে আবারো বন্ধ থাকে ইলিশ রফতানি।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর