সোমবার   ০৩ অক্টোবর ২০২২   আশ্বিন ১৭ ১৪২৯   ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
যশোরে আগাম শীতকালীন সব‌জি চাষ, ভালো দামে খু‌শি কৃষক দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোলে ৪ দিন বন্ধ আমদানি-রফতানি ঝিনাইদহে ছড়িয়ে পড়ছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ, দিশেহারা খামারিরা ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হামিদ-হাসিনার চিঠি যশোর ভবদহের ধলিয়ার বিলে নির্মিত হবে ইপিজেড
১১৭

বেনাপোল হয়ে ৩ দিনে হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২২  

দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে আবারও বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। রবি, সোম ও মঙ্গলবার এই তিনদিনে প্রায় ১০০ টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, রোববার ৮৫০ টন ৮৭৮ কেজি, সোমবার ১৭৫ টন ৪৪০ কেজি ও মঙ্গলবার ৬৪ টন ৪০০ কেজি পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশের অন্যান্য বন্দর দিয়ে কমবেশি পেঁয়াজ আমদানি হলেও আইপিসহ নানান জটিলতায় এতদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল।
আমদানিকারক জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রকারভেদে প্রতি টন ১১১ ডলার থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত মূল্যে ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজে ২ টাকা ৭৫ পয়সা শুল্ককর পরিশোধ করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বেনাপোল বন্দর থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৬-২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেসার্স গাজী ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি আবু জাফর জানান, ২৯ মার্চের মধ্যে পেঁয়াজ আমদানি শেষ করতে নির্দেশনা দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এতে আগের এলসির কেনা পেঁয়াজ দ্রুত আমদানি শেষ করতে হচ্ছে।

মুজিবর রহমান নামের এক ক্রেতা জানান, আমদানির খবরে স্থানীয় বাজারে কেজিতে ৪-৫ টাকা দাম কমেছে। যেভাবে আমদানি বেড়েছে আরও দাম কমবে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত পেঁয়াজ খালাস করতে পারেন সে বিষয়ে সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাজারে দেশীয় নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ আসায় কৃষকরে উৎপাদতি পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও কৃষকদের পেঁয়াজ চাষাবাদে উৎসাহিত করতে সরকার গত বছররে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি ইমর্পোট পারমটি (আইপি) বন্ধ করে দয়ে সরকার। 

কিন্তু হঠাৎ দেশের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ার কারণে দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে পেঁয়াজ আমদানির পারমিশন দেয় সরকার। সরকারের নীতি নির্ধারণী মহল মনে করছে এতে করে এবার দেশে রোজার মধ্যে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।

বাজারে দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কমতির দিকে ছিল। যার কারণে দেশের বাজারে আমদানিকৃত পেঁয়াজের চাহিদা তেমন না থাকায় বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কমিয়ে দেন আমদানিকারকরা। তবে পূর্বের ন্যায় অনুমতিপত্র নিয়ে ভারত থেকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছিলেন আমদানিকারকরা।

এরই মধ্যে মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবাদ করা পেঁয়াজের জমি নষ্ট হয়ে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে বাজারে দেশীয় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় দাম র্ঊধ্বমুখী হতে থাকে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর