সোমবার   ০৩ অক্টোবর ২০২২   আশ্বিন ১৭ ১৪২৯   ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
যশোরে আগাম শীতকালীন সব‌জি চাষ, ভালো দামে খু‌শি কৃষক দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোলে ৪ দিন বন্ধ আমদানি-রফতানি ঝিনাইদহে ছড়িয়ে পড়ছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ, দিশেহারা খামারিরা ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে হামিদ-হাসিনার চিঠি যশোর ভবদহের ধলিয়ার বিলে নির্মিত হবে ইপিজেড
৯৬

সমঝোতা বৈঠকের পর সচল বেনাপোল বন্দরের বাণিজ্য

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২২  

ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফের সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের সমঝোতা বৈঠকের পর আবারও বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য চালু হয়েছে। গত তিনদিন ধরে দেশের সবচেয়ে বড় এ বন্দরে বাণিজ্য বন্ধ ছিল।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১২টা থেকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকে থাকা পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ শুরু করে। ভারতের বঁনগা গুড ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা ধর্মঘটে সোমবার সকাল থেকে এপথে বন্ধ ছিল আমদানি বাণিজ্য।

এদিকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বলছেন হঠাৎ হঠাৎ ধর্মঘটে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন তারা। এক্ষেত্রে আগামীতে আমদানি বন্ধ না করে বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যা নিরসনের দাবি জানান।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কামাল হোসেন ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে বলেন, পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশে পরিচয় পত্র দেখানো নিয়ে বঁনগা ট্রাান্সপোর্ট কর্মচারীদের সাথে দ্বন্দ্ব বাঁধে সীমান্তরক্ষী বিএসএফের। আগে ট্রান্সপোর্ট কর্মচারীরা তাদের নিজস্ব সংগঠনের কার্ড দেখিয়ে বন্দরে প্রবেশ করলেও বর্তমানে বিএসএফ বাণিজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে সিদ্ধান্ত নেয় কাস্টমস.বন্দর বা সিঅ্যান্ডএফ অফিসের কার্ড ব্যবহার করে বন্দরে প্রবেশ করতে হবে।

বিএসএফের এমন সিদ্ধান্তে কার্ডবিহীনরা বন্দরে প্রবেশ করতে না পারায় গত সোমবার থেকে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। তিন দিন আমদানি বন্ধ থাকার পর বুধবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় আপাতত আগের নিয়মে ট্রান্সপোর্ট কর্মচারীরা বন্দরে প্রবেশ করবে। তবে দ্রুত সিঅ্যান্ডএফ, কাস্টমস বা বন্দরের সাক্ষরের পরিচয়পত্র তৈরি করতে হবে। এমন আলোচনার পর ধর্মঘট তুলে নেয় বঁনগা গুড ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন। এতে বুধবার দুপুর থেকে পুনরায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি শুরু হয়।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, বেনাপোল বন্দরে দিয়ে ভারত থেকে যে সকল পণ্য আমদানি হয় তার মধ্যে বড় একটি অংশ শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল। চলতি সপ্তাহে ৪ দিন বন্ধ ছিল আমদানি বাণিজ্য। এভাবে ছোট-খাটো বিষয়ে যদি আমদানি বন্ধ রাখা হয় তবে আমদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। আগামীতে আমদানি বন্ধ না রেখে আলোচনার মাধ্যমে যে কোন সমস্যা সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ভারত অংশে দুই পক্ষের সাথে সমঝোতা বৈঠকে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট তুলে নিলে বুধবার দুপুর থেকে বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করে। দ্রুত যাতে এসব পণ্য ব্যবসায়ীরা খালাস নিতে পারেন তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর