বৃহস্পতিবার   ১৮ আগস্ট ২০২২   ভাদ্র ২ ১৪২৯   ২০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের প্রথম ৬ লেনের কালনা সেতু জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৩ শতাংশ ৪ কোটি ২১ লাখ মানুষ পেয়েছে বুস্টার ডোজ নড়াইলে পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা চৌগাছায় বেশি দামে তেল বিক্রি করায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনুকরণীয়: এমপি নাবিল প্রয়োজনে বিদেশ থেকে ডিম আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম সহনীয় করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
২৮

কিডনির অসুখ থেকে মুক্তি দেবে যেসব খাবার

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২২  

অনেক ক্ষেত্রেই একটি কিডনি বিকল হয়ে গেলেও কাজ চলতে থাকে অন্যটি দিয়ে। এজন্য কিডনির অসুখ ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। ফলে ক্ষতি সম্পর্কে আগে থেকেই আঁচ করা যায় না। অন্যদিকে প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগে পর্যন্ত কিডনির অসুখ সম্পর্কে খুব একটা সচেতন হই না আমরা। পরবর্তীতে যা ভয়ানক রূপ ধারণ করে। 

কিডনির অসুখে খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে বেশ সচেতন থাকতে হয়। ঠিক কতটা পানি খাবেন, সে বিষয়েও চলে আসে নানা বিধি-নিষেধ। কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন রোগীদের ডায়েটে কি রাখা যায়, সে সম্পর্কে অনেকরই স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই কিডনির রোগকে বাগে আনতে কী কী খাওয়া উচিত চলুন জেনে নেয়া যাক-

>> ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি, ক্যাপসিকামে রয়েছে ভরপুর মাত্রায় ভিটামিন কে, সি, বি৬, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এই সব উপাদান দেহের ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে কাজ করে কিডনিকে শক্তিশালী করে।

>> জাম, স্ট্রবেরি,আপেল, ব্লুবেরি, আনারস, লাল আঙুরের মতো ফল কিডনি ভালো রাখতে সাহায্য করে।

 >> পেঁয়াজ ও রসুনে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট কিডনির পক্ষে বেশ ভালো।

 >> আদা দেহের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে কিডনিকে সচল রাখতে সাহায্য করে, ফলে কিডনির কার্যকারিতা বেড়ে যায়।

>> কিডনি রোগীদের রান্না অলিভ অয়েলে করাই শ্রেয়। এই সেলে ফসফরাস থাকে না, তাই কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই তেল বেশ উপকারী।

>> কোনো রোগীর সপ্তাহে দু’-তিন বার করে ডায়ালিসিস চলছে মানেই কিডনির কাজ হচ্ছে, কৃত্রিম ভাবে। এর ফলে বেশ কিছু পরিমাণে প্রোটিনের ক্ষয়ও হচ্ছে। তাই শরীরে সঠিক মাত্রায় প্রোটিনের জোগান দেওয়া ভীষণ জরুরি। এমন রোগীরা মুরগির মাংস খেতে পারেন। তবে চামড়া ছাড়ানো মুরগির মাংস যেন হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। ডিমের সাদা অংশ, মাছ, দুধ বা দই থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো