বৃহস্পতিবার   ১৮ আগস্ট ২০২২   ভাদ্র ২ ১৪২৯   ২০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধনের অপেক্ষায় দেশের প্রথম ৬ লেনের কালনা সেতু জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩৩ শতাংশ ৪ কোটি ২১ লাখ মানুষ পেয়েছে বুস্টার ডোজ নড়াইলে পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা চৌগাছায় বেশি দামে তেল বিক্রি করায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অনুকরণীয়: এমপি নাবিল প্রয়োজনে বিদেশ থেকে ডিম আমদানি করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম সহনীয় করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
৭০৪

করোনা মোকাবিলায় সরকারের নানা উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২০  

বিশ্বব্যাপী এক মহা আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। পৃথিবীব্যাপী এক মহাবিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে এই ভাইরাস। এ এক অদৃশ্য শক্তি, যার সঙ্গে অভিন্ন মানসিকতা নিয়ে লড়াই করছে সারাবিশ্ব। দক্ষিণ এশিয়ার চেয়ে ইউরোপ-আমেরিকার অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হলেও গত ১৫ দিনে এই অঞ্চলের অবস্থা ভালো নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তানের অবস্থা খারাপের দিকে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এই তিন দেশে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। 

বাংলাদেশে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে মানুষ শঙ্কিত হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৬২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৫৫ জনের। এই সংখ্যা দ্রম্নত বাড়ার সম্ভাবনা তীব্র। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২৯ হাজার মৃতু্য হয়েছে প্রায় ৯০০ জনের। পাকিস্তানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার মৃত্যু হয়েছে ৩০০ জনের। 

এতে বোঝা যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা ভালো নয়। প্রতিদিনই সংক্রমণ বাড়ছে। তবে মালদ্বীপ নেপাল ভুটানে এখনো একজন রোগীরও মৃতু্য হয়নি। এই তিন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা খুবই কম। মালদ্বীপ ২২৬ জন নেপালে ৫২ জন এবং ভুটানে মাত্র ৭ জন। দক্ষিণ এশিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। 

এর মধ্যে আশার বাণী শুনিয়েছেন সিঙ্গাপুরের একদল গবেষক। বিশ্বে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আগামী মে মাসের মধ্যে শেষ হচ্ছে। বাংলাদেশ এ ভাইরাসটি ১৯ মের মধ্যে ৯৭ শতাংশ, ৩০ মে মধ্যে ৯৯ শতাংশ বিলীন হয়ে যাবে। সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ডিজাইনের (এসইউটিডি) ডেটা ড্রাইভেন ইনোভেশন ল্যাবের গবেষকেরা এমন আভাস দিয়েছেন। দেখা যাক কী হয়?

তবে বাংলাদেশের জন্য নেতিবাচক দিক হচ্ছে, সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার যে সব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা দেশের জনগণ মানছে না। তারা তাদের ইচ্ছেমতো চলাফেরা করছে। বলা হচ্ছে, ঘরে থাকতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে। মানা হচ্ছে না তাও। দেশের সাধারণ মানুষের মনোভাব এমন যে, বিশ্বে বা দেশে কিছুই হয়নি। এই ধরনের মানসিকতায় ও খামখেয়ালিপনায় যে বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে সে দিকে তাদের ভ্রম্নক্ষেপ নেই। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে বলা হচ্ছে ঘরে থাকার জন্য, পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য। কে শোনে কার কথা। নির্দেশ অমান্য করে যারা বিনা কারণে ঘুরাফেরা করছে, তাদের জরিমানাও করা হচ্ছে। তারপরেও মানুষ সচেতন কিংবা সাবধান হচ্ছে না।

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা, এদের অনেকের মুখে মাস্ক ও হাতে গস্নাভস নেই। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের চিত্র এমনই। বিশেষ করে বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষ এবং এক শ্রেণির তরুণ। তারা এ ব্যাপারে গা করছে না। রাজধানী ঢাকার অলিগলিতে তাদের অবাধে ঘুরতে দেখা যায়, সামাজিক দূরত্ব রক্ষা না করেই। এমন কি কেনাকাটার সময়ও তারা সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে চলছে না। কেবল তাই নয়, বস্তিবাসীরা কোনো ধরনের সামাজিক দূরত্ব মানছে না। তারা আগের মতোই খোশ গল্পে মত্ত থাকছে। করোনাভাইরাস এর ভয়াবহতা সম্পর্কে তাদের ধারণা কম।

প্রধানমন্ত্রী নিজেও এই নির্দেশনা দিয়েছেন। কাজ হচ্ছে না তাতেও। প্রধানমন্ত্রী যার যার ঘরে থেকে প্রার্থনার কথা বলেছেন। এটাও গা করছে না দেশের সাধারণ জনগণ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের হাটবাজারগুলোতে এখনো মানুষের ভিড়। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষ করোনা সম্পর্কে জানে না, জানে না এর ভয়াবহতা সম্পর্কে। তারা অবাধে মেলামেশা করছে। ফলে বাংলাদেশ কমিউনিটি সংক্রমণের দিকে ঝুকছে। দিনে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ জন ( ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, ২০২০)। এতে বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৭টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩০ লাখ ৫০ হাজার, মৃত্যু ২ লাখ ১১ হাজার। তবে সার্বিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমে আসছে। এক মাসে প্রথম মৃত্যু ৪ হাজারের নিচে।

আমাদের জন্য নেতিবাচক দিক হচ্ছে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি এখনো। চিকিৎসা সংকট রয়েছে, রয়েছে অন্যান্য সংকটও। আরো একটি খারাপ দিক হচ্ছে, ডাক্তার-নার্সদের মধ্যে এখনো ভীতি কাজ করছে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন। এর মধ্যে একজন ডাক্তার মারা গেছেন, ডাক্তার নার্স আক্রান্ত হয়েছে কয়েকশ'। করোনা চিকিৎসায় নতুন করে দুই হাজার চিকিৎসক ও ৬ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুলিশের করোনা সংক্রমণও বাড়ছে। এ পর্যন্ত ৩৫৫ জন পুলিশ আক্রান্ত হয়েছে। সাংবাদিকও আক্রান্ত হয়েছে বেশ কয়েকজন।

নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচটি প্যাকেজের আওতায় মোট ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন- যা জিডিপির ২.৫২ শতাংশ। বিশ্বজুড়ে এ সংকটে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবগুলো তুলে ধরে এ থেকে উত্তরণে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানোসহ চারটি কার্যক্রম নিয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন তিনি। সরকারের এই প্রণোদনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বাংলাদেশে চাটার দল এখনো সক্রিয়। দেশের বহু জায়গায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ডিলাররা হাজার হাজার বস্তা চাল চুরি করেছে। একাধিক জায়গায় চাল লুটও হয়েছে। দেশের বহু জায়গায় ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। এর সচিত্র প্রতিবেদনও দেশবাসী মিডিয়ার কল্যাণে প্রত্যক্ষ করেছে। সরকারকে এসব অপ্রীতিকর ঘটনা কঠোর হাতে দমন করতে হবে।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় সফলতার পরিচয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ-বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করা হয়েছে। কানাডিয়ান লেখক অভিভাহ ভিটেনবার্গ-কক্স এই নিবন্ধে নারী নেতৃত্বাধীন আটটি দেশের করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করেছেন। এর আগে এক নিবন্ধে জার্মানি, নিউ জিল্যান্ডসহ নারী নেতৃত্বাধীন সাতটি দেশের এই সংকট উত্তরণে গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে লিখেছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে নিবন্ধে লেখা হয়েছে, শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন ১৬ কোটি ১০ লাখের মতো মানুষের দেশ বাংলাদেশ; সমস্যা-সংকটের সঙ্গে অপরিচিত নয়। তিনি এই সংকট মোকাবিলায় দ্রম্নত সাড়া দিয়েছেন, যাকে 'প্রশংসনীয়' বলেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

দেশটির সবচেয়ে বেশি সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেব্রম্নয়ারির প্রথম দিকে চীন থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন। মার্চের শুরুর দিকে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেন এবং জরুরি নয় এমন ব্যবসা-বাণিজ্য অনলাইনে পরিচালনার নির্দেশ দেন। এরপর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে স্ক্রিনিং ডিভাইস বসান, যাতে কেউ করোনাভাইরাসের উপসর্গ বহন করছে কি না তা বোঝা যায়। প্রায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষের স্ক্রিনিং হয়, যাদের ৩৭ হাজার ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, এগুলো এমন উদ্যোগ যা যুক্তরাজ্য এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও নিবন্ধে সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট হালিমা ইয়াকুব, হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম, নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি, ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট সাহলে-ওর্ক জাদে, জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট সালোমে জারাবিশিলি, বলিভিয়ার অন্তর্র্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জেনিনে আনিজ এবং নামিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী সারা কুগোনগেলা-মাদিলার করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করা হয়েছে।

তবে দেশে কিছু এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। সতর্ক না হলে এসব এলাকায় সামাজিক সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে রাজধানী ঢাকা, মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও গাইবান্ধা। এর মধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের অবস্থা বেশি খারাপ। এ পর্যন্ত ৬১ জেলায় এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশের চেয়ে বিদেশে অবস্থানরত বাঙালিরা রয়েছে বেশি বিপদে। জানা গেছে, বিশ্বের ১৪টি দেশে এ পর্যন্ত ৩৬৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২ জন, যুক্তরাজ্যে ৭৯ জন, সৌদি আরবে ৪৫ জন, ইতালিতে ৮ জন, কানাডায় ৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৬ জন, স্পেনে ৫ জন, কাতারে ৪ জন, কুয়েতে ৩ জন, সুইডেন, কেনিয়া, লিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও গাম্বিয়ায় ১ জন করে বাংলাদেশি মারা গেছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এখন পর্যন্ত ৩৬৪ জন মারা যাওয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছেন কয়েক হাজার। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে মৃতু্যর সংখ্যা বেশি হওয়ায় খুব স্বাভাবিক ওই দুই দেশে আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি হওয়ার কথা। তবে এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারের মতো। সিঙ্গাপুরের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে কাতারে। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় এক হাজার। এ ছাড়া কুয়েতে ১৬০ জন, সৌদি আরবে ১০০ জন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৬০ জন আক্রান্ত বলে খবর পাওয়া গেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এর মধ্যে দেশের গার্মেন্ট সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়েছে। বেশ কটি মন্ত্রণালয়ও খুলে দেয়া হয়েছে। ফলে জন সমাগম বেড়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাটে। এর ফলে বাংলাদেশের মানুষ কতটা নিরাপদে থাকবে সেটাই বড় প্রশ্ন।

দেশের কঠিন সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনলে অন্যের কিছুই করার থাকে না। করোনা মোকাবিলা করা প্রধানমন্ত্রীর একার পক্ষে সম্ভব নয়। দেশবাসীকেও সাবধানে থাকতে হবে, মেনে চলতে হবে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি।

আশার কথা, সরকারের নানা উদ্যোগ ও তৎপরতায় করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে। হতদরিদ্রদের জন্য সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। চাল চোরদের কারণে এ উদ্যোগ যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। করোনাযুদ্ধে আমরা জয়ী হবই।

সালাম সালেহ উদদীন: কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কলাম লেখক

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো