সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যে কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি যৌক্তিক খুলনা-যশোর অঞ্চলে ১৭১ রেলগেটের ৯৮টি অরক্ষিত যশোরে এক মাসে হারানো ৪৯টি মোবাইল উদ্ধার বেনাপোলে পণ্য আমদানিতে অভাবনীয় গতি বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
১৪২

সরিষা উৎপাদনে সফল মণিরামপুরের চাষিরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২২  

সরিষা উৎপাদনে সফল মণিরামপুরের হাজরাকাটি গ্রামের চাষিরা। আমন ও বোরো আবাদের মাঝে কম সময়ে সরিষার চাষ করে অধিক লাভবান হওয়ায় এ চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মৌসুমে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে তৈল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় মণিরামপুর উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের ৩০ জন চাষিকে নিয়ে প্রযুক্তি গ্রাম গড়ে তোলা হয়। ওই গ্রামের চাষিরা রোপা আমন চাষের পর বেরো আবাদের মাঝে পতিত জমিতে বারি সরিষা-১৪ চাষ করেন। সরিষা চাষের ৮৫ দিনের মাথায় ফসল ঘরে তোলেন। 

এ চাষে খরচের তুলনায় অধিক লাভ হওয়ায় চাষিরা এ চাষে ঝুঁকছেন। ওই গ্রামে পূর্বে এক থেকে দেড় একর জমিতে সরিষা চাষ হতো।

হাজরাকাটি প্রযুক্তি গ্রামের চাষি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গতবার ৬৬ শতক জমিতে বারি-১৪ সরিষা চাষ করে প্রায় ৮ মন সরিষা পেয়েছি। খরচ-খরচা বাদে ১৫ হাজার টাকা লাভ করেছি।

স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বলেন, ওই গ্রামে আগে এক থেকে দেড় বিঘা জমিতে সরিষা চাষ হতো, এখানে এখন ৭০ বিঘারও বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হচ্ছে।

উপসহকারী কৃষি অফিসার হাসানুজ্জামান বলেন, আমন ও বোরো ফসলের মাঝে কম সময়ে সরিষা চাষ করা যায় বলে  চাষিরা এ চাষে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন।

মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আবুল হাসান বলেন, কৃষি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র মণিরামপুর। কৃষি প্রযুক্তিতে এগিয়ে এখানকার চাষিরা। তৈল জাতীয় ফসল সরিষা চাষ করে  অধিক লাভবান হওয়ায় এ চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা।

তৈল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের যশোর অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক হীরক কুমার সরকার বলেন, একদিকে কম সময়ে বেশি লাভ, অন্যদিকে দুটি ধানের ফসল আবাদের মাঝে সরিষা চাষ করা যায় বলে চাষির এ চাষে দিন দিন আগ্রহী হচ্ছেন।
 

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর