সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৪ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যে কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি যৌক্তিক খুলনা-যশোর অঞ্চলে ১৭১ রেলগেটের ৯৮টি অরক্ষিত যশোরে এক মাসে হারানো ৪৯টি মোবাইল উদ্ধার বেনাপোলে পণ্য আমদানিতে অভাবনীয় গতি বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
৬৪

বীমা সেক্টরে ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা হচ্ছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০২২  

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, দেশের সর্বত্র পরিবর্তন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বীমা খাতকে পিছিয়ে থাকলে চলবে না। সব সেক্টরের মতো বীমা সেক্টরেও সরকার ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। ইন্স্যুরেন্স ক্ষেত্রে নতুন আইডিয়া নিয়ে আসবেন। আপনাদের আইডিয়া বাস্তবায়নে আমরা পাশে থাকব। গ্রামকে শহর করতে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। এ ক্ষেত্রে বীমা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গতকাল রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর এবং সাফল্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উৎসব শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, নানা কারণে বীমা খাতে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এই খাতটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এই খাতে নজর রাখছে। সরকার চেষ্টা করছে ইন্স্যুরেন্স সেক্টরেও ইতিবাচক পরিবর্তন হবে। তবে আমরা একা কিছু করতে পারব না। এ ক্ষেত্রে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। তবে বীমা সেক্টর জনগণের আস্থার জায়গাটা এখনও তৈরি করতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে আধুনিক বীমাব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা জনগণের আস্থা তৈরি করব।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বলেন, বীমা মানুষের ঝুঁকি কমিয়ে দিচ্ছে। অন্য দিকে আর্থিক নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে। বীমার প্রতি আস্থাটা জরুরি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে টাকা রাখলে একটা রিটার্ন পাওয়া যায়; কিন্তু জীবন বীমা মানুষের জীবনের ঝুঁকি নেয়। তাই বীমা মেয়াদ শেষে সেটেলমেন্টটা সময় মতো করা খুব জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এফবিসিসিআইর সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন বলেন, বীমার বড় সমস্যা আস্থার সঙ্কট। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ইন্স্যুরেন্সগুলো ভালো করছে; কিন্তু নতুন প্রজন্মের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো ভালো করছে না। তারা এমএলএম ব্যবসাও করছেন। তাই আমি আশা করব, আইডিআরএ সবাইকে নিয়ে এখানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম বলেন, বীমা সেক্টরে ইনোভেটিভ প্রোডাক্টের খুব অভাব। সবাই একই প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছি। এই সেক্টরে আমাদের ইনোভেটিভ প্রোডাক্ট নিয়ে আসতে হবে।

আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, করপোরেট গভর্নেন্সের অভাবের কারণে মানুষের মাঝে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এই সঙ্কট কাটাতে আইডিআরএ কাজ করছে।

সভাপতির বক্তব্যে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম বলেন, সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান এই তিনটি হচ্ছে আমাদের স্লোগান। এই স্লোগান নিয়ে ন্যাশনাল লাইফ এগিয়ে চলেছে। গুটিকয়েক কোম্পানির কারণে এখানে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওই কোম্পানিগুলো ম্যানেজমেন্টে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাশনাল লাইফের সিইও মো: কাজিম উদ্দিন।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর