সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১   কার্তিক ১০ ১৪২৮   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পায়রা সেতু কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় হবে বিশেষ সেল অবশেষে দেশে চালু হচ্ছে পেপ্যাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ ভাগ বিদ্যুত নেয়ার পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে বাংলাদেশ
৩০

নিজ দলে উপেক্ষিত মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১  

নিজ দলের মধ্যে ভালো নেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মাঝে মধ্যেই তার বাসায় ইট-পাটকেল ও ডিম নিক্ষেপ করা হয়। মূলত মনোনয়ন বাণিজ্য করেই দলের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা হারান মির্জা ফখরুল। সঙ্গে দায়িত্বহীনতাও একটি বড় কারণ। 

বিএনপির অনেক নেতাই বলছেন, মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বাণিজ্য, দালালি, তদবির বাণিজ্য ও পদবাণিজ্যের কারণে বিএনপি বর্তমানে মৃতপ্রায়।

বিএনপির ঘনিষ্ঠ একাধিক গোপন সূত্র বলছে, গত বছর মির্জা ফখরুলের বাসায় ডিম মারা হয়েছিল। কারণ, ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিনি দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ম্যানেজ করে এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন পেতে সহায়তা করেছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরপরই মনোনয়ন বঞ্চিত কফিল উদ্দিনের সমর্থকরা ফখরুলের উত্তরার বাসায় হামলা চালিয়েছিল।

জানা গেছে, মির্জা ফখরুল দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ভুল-ভাল বুঝিয়ে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্যদের মনোনয়ন পাইয়ে দিতে কাজ করেন। তার অযোগ্যতা, অক্ষমতা, দালালি ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আঁতাতের কারণে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। মির্জা ফখরুল ঠাণ্ডা মাথার লোক। তিনি দল ও নেত্রীর প্রতি অনুগত নন। মির্জা ফখরুলকে ধান্দাবাজ মনে করেন দলের বেশির ভাগ নেতা-কর্মী।

বিএনপিকে বাঁচাতে হলে মির্জা ফখরুলকে অপসারণের বিকল্প নেই। প্রয়োজনে তাকে দলীয় স্বার্থে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। আর তাতেও কাজ না হলে দালালি করার অপরাধে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রতিরোধ করতে হবে। প্রয়োজনে তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করতে হবে। 

বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা বলেন, মারের ওপর কোনো ওষুধ নেই। মির্জা ফখরুলকে সাইজ করতে ছাত্রদল নেতারাই যথেষ্ট। মির্জা ফখরুল সম্মান রক্ষা করে চলতে পারেন না, তাই তাকে অপমানিত করেই দল থেকে বিতাড়িত করাকেই শেষ উপায় মনে করছেন তারা। মির্জা ফখরুলকে শায়েস্তা করতে পারলে দলের অন্যান্য দালাল ও তথ্যপাচারকারী নেতারাও সাবধান হবেন। দল বাঁচাতে ছাত্রদলকে এই কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও মনে করছেন বিএনপির অনেক বিক্ষুব্ধ ও হতাশ নেতারা।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর