বৃহস্পতিবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯   ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

  যশোরের আলো
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগ কখনো সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেয় না এইডস রোগীদের জন্য যশোরে হচ্ছে এআরটি সেন্টার যশোরে খেজুরের রস আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সোহেল মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অক্ষত ছিল যে পতাকা খালেদা জিয়া সমাবেশে যোগ দিলে আদালত ব্যবস্থা নেবেন
৬৮২১

৫ বছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২২  

পাঁচ বছর আগে ভারতে বাংলাদেশ রপ্তানি করতো ৯০ কোটি ডলারেরও কম। এখন তা দাঁড়িয়েছে ২০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল মাত্র ৮৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার। এর পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় এই রপ্তানি বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে তা আবারও ঘুরে দাঁড়াতে থাকে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ২০০ কোটি ডলার কাছাকাছি পৌঁছায়।

গত পাঁচ বছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি চিত্রে দেখা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আয় ৮৭ কোটি ৩২ লাখ ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় ১২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ২০১৯-২০ অর্থবছরে আয় ১০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে আয় ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে আয় ১৯৯ কোটি ১৩ লাখ ডলার।

ভারতে রপ্তানির এই উর্ধ্বমূখী ধারা চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাসেও বহাল রয়েছে। গেল অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানি আয়ে শীর্ষে ছিল তৈরি পোশাক, দ্বিতীয় পাট ও পাটজাত এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে চামড়া ও চামড়াজাত খাত থেকে।

ভারতে রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাতগুলো হল- তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার, পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয়  ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ডলার, চামড়াজাত পণ্য খাতে রপ্তানি আয় ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার, কটন প্রোডাক্টস খাতে রপ্তানি আয় ৩ কোটি ৯২ লাখ ডলার এবং প্লাস্টিক দ্রব্য থেকে রপ্তানি আয় ৩ কোটি ৪ লাখ ডলার।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, ইউরোপ ও আমেরিকায় নানা অনিশ্চয়তার মুখে ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলো এখন রপ্তানির বড় সম্ভাবনা। তবে ভারতে রপ্তানি বাড়াতে স্থলবন্দরের সুবিধা আরো বাড়ানো দরকার।

তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সম্ভবনার তুলনায় ভারতে রপ্তানি কমই হচ্ছে। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য থাকলে এই রপ্তানি দ্বিগুণ হতো।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মালবাহী ট্রাক সরাসরি প্রবেশ করতে সমস্যা, বাংলাদেশের পণ্যের সাথে স্থানীয় পণ্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়লে এন্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপ, পণ্যের মান পরীক্ষায় জটিলতার কারণে ভারতে আশানুরূপ রপ্তানি হয় না। বৈশ্বিক বাজার থেকে ভারত প্রায় ৪৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে।

  যশোরের আলো
  যশোরের আলো
এই বিভাগের আরো খবর